২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ফ্রান্সে নারী নির্যাতন বন্ধের দাবিতে জোরদার বিক্ষোভ

নতুন গতি প্রতিবেদন, আন্তর্জাতিক: শনিবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে প্রায় ৩৫ হাজার মহিলা সমবেত হয়ে বিক্ষোভ জানায় দেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে আশঙ্কাজনক হারে নির্যাতন বন্ধের দাবিতে। আয়োজকদের একজন ক্যারোলিন ডি হাস মহিলাদের ব্যাপক সংখ্যায় উপস্থিতি দেখে বলেছেন– এটি একটি ঐতিহাসিক সমাবেশ। রাজধানী শহরে বিভিন্ন সংগঠনও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। নারীদের প্রতিহিংসা সম্পূর্ণ নির্মূল করার দাবি জানিয়ে বেগুনি ও সাদা রঙের প্লাকার্ড– ব্যানার ও পতাকা ছিল মহিলাদের হাতে। ফ্রান্সের রাষ্টÉপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন– নারীদের প্রতি উপর্যুপরি হিংসা বৃদ্ধির ঘটনা ফ্রান্সের জন্য লজ্জাজনক ব্যাপার তিনি মহিলাদের এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি টু্যইটারে লিখেছেন– ‘আমি লিঙ্গ বৈষম্য ও যৌন হয়রানির শিকার নারীদের বিক্ষোভে শামিল হওয়ার পদক্ষেপের প্রশংসা জানাচ্ছি। নারী নির্যাতন বন্ধে সরকার সমগ্র জাতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রচেষ্টা রাখে।
সমীক্ষায় জানা গিয়েছে– ফ্রান্সে প্রতি তিনদিনে একজন নারী হত্যার শিকার হয়। সেই দেশে প্রতিবছর অন্তত ১৩০ জন মহিলা প্রাক্তন প্রেমিকা অথবা স্বামীর হাতে খুন হয়। বিয়ের পর প্রতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার মহিলা স্বামীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের শিখর ছুঁলেও ইউরোপে সবচেয়ে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা ঘটে ফ্রান্সে। উল্লেখ্য– ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী সহিংসতা নির্মূল দিবস। নারীদের প্রতিহিংসা ও নির্যাতন নিবারণের বার্তা দিতে রাষ্টÉসংঘ এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নেয় ১৯৯৯ সালে। এই বিশেষ দিনটি আসার দিনদুয়েক আগে আন্তর্জাতিক এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই বিক্ষোভ সমাবেশ।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফ্রান্সে নারী নির্যাতন বন্ধের দাবিতে জোরদার বিক্ষোভ

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

নতুন গতি প্রতিবেদন, আন্তর্জাতিক: শনিবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে প্রায় ৩৫ হাজার মহিলা সমবেত হয়ে বিক্ষোভ জানায় দেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে আশঙ্কাজনক হারে নির্যাতন বন্ধের দাবিতে। আয়োজকদের একজন ক্যারোলিন ডি হাস মহিলাদের ব্যাপক সংখ্যায় উপস্থিতি দেখে বলেছেন– এটি একটি ঐতিহাসিক সমাবেশ। রাজধানী শহরে বিভিন্ন সংগঠনও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। নারীদের প্রতিহিংসা সম্পূর্ণ নির্মূল করার দাবি জানিয়ে বেগুনি ও সাদা রঙের প্লাকার্ড– ব্যানার ও পতাকা ছিল মহিলাদের হাতে। ফ্রান্সের রাষ্টÉপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন– নারীদের প্রতি উপর্যুপরি হিংসা বৃদ্ধির ঘটনা ফ্রান্সের জন্য লজ্জাজনক ব্যাপার তিনি মহিলাদের এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি টু্যইটারে লিখেছেন– ‘আমি লিঙ্গ বৈষম্য ও যৌন হয়রানির শিকার নারীদের বিক্ষোভে শামিল হওয়ার পদক্ষেপের প্রশংসা জানাচ্ছি। নারী নির্যাতন বন্ধে সরকার সমগ্র জাতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রচেষ্টা রাখে।
সমীক্ষায় জানা গিয়েছে– ফ্রান্সে প্রতি তিনদিনে একজন নারী হত্যার শিকার হয়। সেই দেশে প্রতিবছর অন্তত ১৩০ জন মহিলা প্রাক্তন প্রেমিকা অথবা স্বামীর হাতে খুন হয়। বিয়ের পর প্রতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার মহিলা স্বামীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের শিখর ছুঁলেও ইউরোপে সবচেয়ে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা ঘটে ফ্রান্সে। উল্লেখ্য– ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী সহিংসতা নির্মূল দিবস। নারীদের প্রতিহিংসা ও নির্যাতন নিবারণের বার্তা দিতে রাষ্টÉসংঘ এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নেয় ১৯৯৯ সালে। এই বিশেষ দিনটি আসার দিনদুয়েক আগে আন্তর্জাতিক এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই বিক্ষোভ সমাবেশ।