দেবজিৎ মুখার্জি, ঝাড়গ্রাম: প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতার ঘিরে তোলপাড় চলছে বঙ্গ রাজনীতিতে। এই আবহে পরিস্থিতি আরো চাঞ্চল্যকর করে তুলল মমতা তৃণমূলের নেতা অজিত মাহাতোর গ্রেফতারি। বন দপ্তরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। খবর জানাজানি হতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা রাজ্যে।
চলতি বছরে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে তাসের ঘরের মতো ভেঙেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বাংলার মাটিতে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে ইতিহাস গড়েছে বিজেপি। এরপর থেকেই গ্রেফতার হয়ে চলেছেন একের পর এক তৃণমূল নেতা। বাদ যাননি প্রাক্তন মন্ত্রীরাও, যা ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মমতা তৃণমূলের বক্তব্য, প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে গেরুয়া শিবির। এদিকে শাসকদলের বক্তব্য, রাজ্যে আইনের শাসন নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এবার সেই তালিকায় নাম উঠলো অজিত মাহাতো। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশের তরফ থেকে। অভিযোগকারী বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস। তাঁর অভিযোগ, “নিজের রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে বন দপ্তরে স্থায়ী চাকরির আশ্বাস দেন অজিত মাহাতো। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় মোট ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি হয়নি।”
তাঁর আরও অভিযোগ, “টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আরও ২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। উনি এভাবে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেক বেকার যুবকের থেকেও টাকা আদায় করেছেন।” এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, “এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নতুন গতি 











