দেবজিৎ মুখার্জি: পালাবদলের বাংলায় নজিরবিহীন ঘটনা! ২৪ ঘন্টার মধ্যে জোড়া এনকাউন্টার রাজ্যে। মঙ্গলবার ভোরে গাইঘাটায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তের এনকাউন্টারের পর বিকেলে ধুলিয়ানে সিআইডির গুলিতে প্রাণ হারান এক হত্যার অভিযুক্ত। দুই ঘটনাকে ঘিরেই জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। শুধু তাই নয়, চরমে পৌঁছেছে রাজনৈতিক তরজাও।
গাইঘাটার ঘটনা
গত রবিবার গাইঘাটায় এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের বক্তব্য, কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মীয় প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। শাস্তির দাবিতে চলে বিক্ষোভ। সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
জানা যায়, সোমবার রাতে প্রহ্লাদকে পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের বক্তব্য, ফিরতি পথে প্রহ্লাদ সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিও ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পালটা গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হন প্রহ্লাদ। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তবে এক পুলিশ কর্মীও জখম হয়েছেন।
ধুলিয়ানের ঘটনা
সামশেরগঞ্জে বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডলকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল শামাউল হক সহ তিনজনকে। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। মঙ্গলবার, তদন্তের জন্য, সিআইডি আধিকারিকরা শামাউলকে ধুলিয়ান বাজারের কাছে ডাকবাংলো মোড়ে নিয়ে যেতেই ঘটনাটি ঘটে।
সিআইডি সূত্রে খবর, শামাউল তদন্তকারীদের বাধা দিয়ে তাঁদেরই সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে আধিকারিকরা গুলি চালান। গুরুতর জখম শামাউলকে স্থানীয় অনুপনগর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে।
নতুন গতি 
















