২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

খোঁচার জবাব জয় দিয়ে, নাগপুরে কংগ্রেস এবং বারানসিতে জয় সপার

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 13

দেবজিৎ মুখার্জি: মোদি সরকারকে খোঁচার জবাব দিল কংগ্রেস! মৌখিকভাবে নয়, একেবারে ভোটে জিতে। শুধু তাই নয়, তাও আবার বিজেপি সহ সমগ্র সঙ্ঘ পরিবারের শক্তঘাঁটিতে। আরএসএসের সদর দপ্তর নাগপুরে বিধান পরিষদের আসন জিতেছে হাত শিবির। এই জয় তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখার অন্য কারণ হল, তা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের নিজের এলাকা। আবার কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করি সেই কেন্দ্রেরই সাংসদ। সব মিলিয়ে, এটি একটি প্রেস্টিজ ফাইট ছিল গোটা গেরুয়া শিবিরের কাছে, যেখানে শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় তাদের।

বুধবার, ৪ রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদের আসনে ভোটগণনা চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পদ্ম শিবিরের অন্যান্য নেতারা রীতিমত খোঁচা দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সহ গোটা কংগ্রেসকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমাজমাধ্যমে বলেন, “ভোট তো ব্যালটে হয়েছিল, কটা আসন জিতলেন?” অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও ঠাট্টা শুরু করেছিলেন রাগা ও তাঁর দলকে নিয়ে।

তবে বৃহস্পতিবার পাল্টে যায় চিত্র। সকালে গণনা শেষ হতেই বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয় মোদি সরকার। খাস নাগপুরের গ্র্যাজুয়েটস আসনে কংগ্রেসের অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি বিজেপির সুধাকর কোলেকে পরাজিত করেন ৩ হাজার ২৭১ ভোটে। পাশাপাশি পুরো মহারাষ্ট্রেও ফল ভালো হয়নি বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটের। ৫টি আসনের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে শাসক জোট। এদিকে বিরোধী মহা বিকাশ আঘাড়ি জিতেছে ৩টি আসনে।

তবে শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, যোগী আদিত্যনাথের ‘রাম রাজ্য’ উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের নির্বাচনেও খুব ভালো ফল করতে সফল হয়নি পদ্ম শিবির। ১১টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬টিতে এবং পাঁচটিতে সমাজবাদী পার্টি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারানসিতেও হারের মুখ দেখতে হয়েছে তাদের। দুটি আসনেই জিতেছে সমাজবাদী পার্টি। বছর ঘুরলেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগে এই পরাজয় যে গেরুয়া শিবিরকে ভালোমতই চাপে রাখবে, তা বলাই বাহুল্য।

 

রামলীলায় থাকবেন মমতা, আরশোলাদের মুখোশ খুলতে পথে নামবে বিজেপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খোঁচার জবাব জয় দিয়ে, নাগপুরে কংগ্রেস এবং বারানসিতে জয় সপার

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: মোদি সরকারকে খোঁচার জবাব দিল কংগ্রেস! মৌখিকভাবে নয়, একেবারে ভোটে জিতে। শুধু তাই নয়, তাও আবার বিজেপি সহ সমগ্র সঙ্ঘ পরিবারের শক্তঘাঁটিতে। আরএসএসের সদর দপ্তর নাগপুরে বিধান পরিষদের আসন জিতেছে হাত শিবির। এই জয় তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখার অন্য কারণ হল, তা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের নিজের এলাকা। আবার কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করি সেই কেন্দ্রেরই সাংসদ। সব মিলিয়ে, এটি একটি প্রেস্টিজ ফাইট ছিল গোটা গেরুয়া শিবিরের কাছে, যেখানে শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় তাদের।

বুধবার, ৪ রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদের আসনে ভোটগণনা চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পদ্ম শিবিরের অন্যান্য নেতারা রীতিমত খোঁচা দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সহ গোটা কংগ্রেসকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমাজমাধ্যমে বলেন, “ভোট তো ব্যালটে হয়েছিল, কটা আসন জিতলেন?” অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও ঠাট্টা শুরু করেছিলেন রাগা ও তাঁর দলকে নিয়ে।

তবে বৃহস্পতিবার পাল্টে যায় চিত্র। সকালে গণনা শেষ হতেই বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয় মোদি সরকার। খাস নাগপুরের গ্র্যাজুয়েটস আসনে কংগ্রেসের অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি বিজেপির সুধাকর কোলেকে পরাজিত করেন ৩ হাজার ২৭১ ভোটে। পাশাপাশি পুরো মহারাষ্ট্রেও ফল ভালো হয়নি বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটের। ৫টি আসনের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে শাসক জোট। এদিকে বিরোধী মহা বিকাশ আঘাড়ি জিতেছে ৩টি আসনে।

তবে শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, যোগী আদিত্যনাথের ‘রাম রাজ্য’ উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের নির্বাচনেও খুব ভালো ফল করতে সফল হয়নি পদ্ম শিবির। ১১টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬টিতে এবং পাঁচটিতে সমাজবাদী পার্টি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারানসিতেও হারের মুখ দেখতে হয়েছে তাদের। দুটি আসনেই জিতেছে সমাজবাদী পার্টি। বছর ঘুরলেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগে এই পরাজয় যে গেরুয়া শিবিরকে ভালোমতই চাপে রাখবে, তা বলাই বাহুল্য।