১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

কেন থার্মোকল ছেড়ে শালপাতার থালা বাটি ব্যবহার করবেন?

বিশেষ প্রতিবেদন: বাড়ির অনুষ্ঠান হোক বা বন্ধুদের সাথে চড়ুইভাতির আড্ডা, থার্মোকলের থালা বাটি ব্যবহার এখন লেগেই রয়েছে। বারে বারে এই সকল থার্মোকলের জিনিসপত্র ব্যবহার না করার সচেতন মূলক বার্তা দিয়েও সমাজ এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। থার্মোকল, যা প্রকৃতির বুকে হাজার বছর পড়ে থাকলেও পচে যায় না বা নষ্ট হয় না।

থার্মোকলের থালা বাটি ছেড়ে শালপাতার থালা বাটি ব্যবহার করে একদিকে যেমন পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা যায়। অপরদিকে এই থার্মোকলের থালা বাটি তৈরিতে যে কেমিক্যাল থাকে তা খাওয়ারের সাথে মানব শরীরে প্রবেশ করে ক্যান্সারের মত মারণ ব্যাধি ডেকে আনে। এই বিষাক্ত থার্মোকল অবিলম্বে পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

জঙ্গল থেকে শালপাতা সংগ্রহ করা দরিদ্র পরিবারও আজ তাদের ব্যবসায় মন্দা দেখছে। আর আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল থেকে আরও স্বচ্ছল হচ্ছেন থার্মোকলের থালা বাটি উৎপাদনকারী কারখানার মালিকপক্ষ। এতে একদিকে যেমন গরিবের রুটি রুজি কমছে, অপর দিকে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাচ্ছে।

সুতরাং, থার্মোকল থেকে দূরে থাকুন এবং পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর সাথে সাথে নিজের স্বাস্থের কথাও ভাবুন। আপনার একটু সচেতন মূলক চিন্তা শুধু আজকের নয়, আগামী পৃথিবী ও আগামী প্রজন্মকেও রক্ষা করতে সক্ষম।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেন থার্মোকল ছেড়ে শালপাতার থালা বাটি ব্যবহার করবেন?

আপডেট : ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

বিশেষ প্রতিবেদন: বাড়ির অনুষ্ঠান হোক বা বন্ধুদের সাথে চড়ুইভাতির আড্ডা, থার্মোকলের থালা বাটি ব্যবহার এখন লেগেই রয়েছে। বারে বারে এই সকল থার্মোকলের জিনিসপত্র ব্যবহার না করার সচেতন মূলক বার্তা দিয়েও সমাজ এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। থার্মোকল, যা প্রকৃতির বুকে হাজার বছর পড়ে থাকলেও পচে যায় না বা নষ্ট হয় না।

থার্মোকলের থালা বাটি ছেড়ে শালপাতার থালা বাটি ব্যবহার করে একদিকে যেমন পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা যায়। অপরদিকে এই থার্মোকলের থালা বাটি তৈরিতে যে কেমিক্যাল থাকে তা খাওয়ারের সাথে মানব শরীরে প্রবেশ করে ক্যান্সারের মত মারণ ব্যাধি ডেকে আনে। এই বিষাক্ত থার্মোকল অবিলম্বে পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

জঙ্গল থেকে শালপাতা সংগ্রহ করা দরিদ্র পরিবারও আজ তাদের ব্যবসায় মন্দা দেখছে। আর আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল থেকে আরও স্বচ্ছল হচ্ছেন থার্মোকলের থালা বাটি উৎপাদনকারী কারখানার মালিকপক্ষ। এতে একদিকে যেমন গরিবের রুটি রুজি কমছে, অপর দিকে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাচ্ছে।

সুতরাং, থার্মোকল থেকে দূরে থাকুন এবং পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর সাথে সাথে নিজের স্বাস্থের কথাও ভাবুন। আপনার একটু সচেতন মূলক চিন্তা শুধু আজকের নয়, আগামী পৃথিবী ও আগামী প্রজন্মকেও রক্ষা করতে সক্ষম।