১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজ্য পুলিশ প্রশাসন সদা সতর্ক মাদকের কারবার রূখতে

নিজস্ব সংবাদদাতা: গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে মাদকবিরোধী অভিযান। রাজ্য পুলিশ প্রশাসন সদা সতর্ক মাদকের কারবার রূখতে। রাজ্যের বিভিন্ন থানার পুলিশ লাগাতার অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করছে মাদক কারবারীদের। প্রায় প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন থানা এলাকায় উদ্ধার হচ্ছে ড্রাগস, হেরোইন, নেশার অসুধ, ভেজাল মদ সহ বিভিন্ন নেশার সামগ্রী। ঠিক এমনই অভিযান চালিয়ে চোলাই মদের বড়সড় কারখানায় হানা দিল দার্জিলিং জেলা পুলিশের নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায় নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে নষ্ট করা হল প্রায় ৬০০ লিটার চোলাই মদ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নকশালবাড়ির ওলডাঙ্গি এলাকায় এই অভিযান চালায় পুলিশ। তবে পুলিশের অভিযান বুঝতে পেরে পালিয়ে যায় কারখানার মালিক ও তার স্ত্রী। বাড়ির কাছেই মদ বিক্রি করত তারা।এর জন্য তারা তিনজনকে কাজেও রেখেছিল। সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত তৈরী করা হত মদ। বিশেষ কাজ হত সন্ধ্যায়। যাতে কেউ সন্দেহ না করে সেকারনে রাতেই তৈরী করা হত মদ।যারা তৈরী করত মদ তাদের সেই জায়গাতেই থাকবার ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। প্রতিবেশীদের সন্দেহ হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই।তারাই প্রথমে খবর দেন পুলিশকে। পুলিশ এসে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য পুলিশ প্রশাসন সদা সতর্ক মাদকের কারবার রূখতে

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে মাদকবিরোধী অভিযান। রাজ্য পুলিশ প্রশাসন সদা সতর্ক মাদকের কারবার রূখতে। রাজ্যের বিভিন্ন থানার পুলিশ লাগাতার অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করছে মাদক কারবারীদের। প্রায় প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন থানা এলাকায় উদ্ধার হচ্ছে ড্রাগস, হেরোইন, নেশার অসুধ, ভেজাল মদ সহ বিভিন্ন নেশার সামগ্রী। ঠিক এমনই অভিযান চালিয়ে চোলাই মদের বড়সড় কারখানায় হানা দিল দার্জিলিং জেলা পুলিশের নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায় নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে নষ্ট করা হল প্রায় ৬০০ লিটার চোলাই মদ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নকশালবাড়ির ওলডাঙ্গি এলাকায় এই অভিযান চালায় পুলিশ। তবে পুলিশের অভিযান বুঝতে পেরে পালিয়ে যায় কারখানার মালিক ও তার স্ত্রী। বাড়ির কাছেই মদ বিক্রি করত তারা।এর জন্য তারা তিনজনকে কাজেও রেখেছিল। সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত তৈরী করা হত মদ। বিশেষ কাজ হত সন্ধ্যায়। যাতে কেউ সন্দেহ না করে সেকারনে রাতেই তৈরী করা হত মদ।যারা তৈরী করত মদ তাদের সেই জায়গাতেই থাকবার ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। প্রতিবেশীদের সন্দেহ হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই।তারাই প্রথমে খবর দেন পুলিশকে। পুলিশ এসে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।