১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রবল তাপ ও গরমে জল না থাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে কংসাবতী জলাধারের জল দ্বারকেশ্বর নদে ফেলার জন্য চিঠি দিল পুরসভা

নিজস্ব সংবাদদাতা : দু’মাসের বেশি সময় ধরে বৃষ্টি নেই। মার্চ থেকেই প্রবল তাপ ও গরমে শুকিয়ে গিয়েছে নদী-নালা-পুকুরের জল। জলস্তরও অনেকটাই নেমে গিয়েছে। প্রতিদিন হু হু করে বেড়ে চলেছে তাপমাত্রা। তার জেরে জল সংকটের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আগাম ব্যবস্থা নিল বাঁকুড়া পুরসভা। দ্বারকেশ্বর নদ থেকেই বাঁকুড়া পুরসভায় জল সরবরাহ করা হয়। সেখানে জল না থাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে কংসাবতী জলাধারের জল দ্বারকেশ্বর নদে ফেলার জন্য চিঠি দিল পুরসভা।

এর ফলে একদিকে যেমন জল সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে, ঠিক তেমনই নদীগর্ভের পাম্পও সচল থাকবে। দ্বারকেশ্বরের গর্ভে জল না থাকার কারণে পাম্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। একাধিক পাম্পও বিকল হয়েছে বলে খবর। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুকুটমণিপুরের কংসাবতী জলাধারের ক্যানেল দিয়ে আসা জল দ্বারকেশ্বর নদে নিয়ে আসার জন্য কংসাবতী কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিল বাঁকুড়া পুরসভা।

পুরসভার দাবি, কংসাবতীর জল দ্বারকেশ্বর নদে এসে পড়লে জলস্তর বৃদ্ধি পাবে। পানীয় জলের সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়াও পাম্পগুলিকে সচল থাকবে। বাঁকুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হীরালাল চট্টরাজ বলেন, ‘পানীয় জলের সংকট আপাতত নেই। আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। দ্বারকেশ্বরের জলস্তর নেমে যাওয়ায় পাম্পগুলিও অচল হয়ে পড়েছে। কংসাবতী থেকে জল আনা হলে পাম্পগুলি আবার সচল হবে।’

 

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রবল তাপ ও গরমে জল না থাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে কংসাবতী জলাধারের জল দ্বারকেশ্বর নদে ফেলার জন্য চিঠি দিল পুরসভা

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : দু’মাসের বেশি সময় ধরে বৃষ্টি নেই। মার্চ থেকেই প্রবল তাপ ও গরমে শুকিয়ে গিয়েছে নদী-নালা-পুকুরের জল। জলস্তরও অনেকটাই নেমে গিয়েছে। প্রতিদিন হু হু করে বেড়ে চলেছে তাপমাত্রা। তার জেরে জল সংকটের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আগাম ব্যবস্থা নিল বাঁকুড়া পুরসভা। দ্বারকেশ্বর নদ থেকেই বাঁকুড়া পুরসভায় জল সরবরাহ করা হয়। সেখানে জল না থাকায় বিশেষ পদ্ধতিতে কংসাবতী জলাধারের জল দ্বারকেশ্বর নদে ফেলার জন্য চিঠি দিল পুরসভা।

এর ফলে একদিকে যেমন জল সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে, ঠিক তেমনই নদীগর্ভের পাম্পও সচল থাকবে। দ্বারকেশ্বরের গর্ভে জল না থাকার কারণে পাম্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। একাধিক পাম্পও বিকল হয়েছে বলে খবর। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুকুটমণিপুরের কংসাবতী জলাধারের ক্যানেল দিয়ে আসা জল দ্বারকেশ্বর নদে নিয়ে আসার জন্য কংসাবতী কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিল বাঁকুড়া পুরসভা।

পুরসভার দাবি, কংসাবতীর জল দ্বারকেশ্বর নদে এসে পড়লে জলস্তর বৃদ্ধি পাবে। পানীয় জলের সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়াও পাম্পগুলিকে সচল থাকবে। বাঁকুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হীরালাল চট্টরাজ বলেন, ‘পানীয় জলের সংকট আপাতত নেই। আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। দ্বারকেশ্বরের জলস্তর নেমে যাওয়ায় পাম্পগুলিও অচল হয়ে পড়েছে। কংসাবতী থেকে জল আনা হলে পাম্পগুলি আবার সচল হবে।’