২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

নন্দীগ্রামের রায় পরিবারের জগদ্ধাত্রী পুজো এইবার ৫৩ বছর পড়ল

রাহুল রায়,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমানঃ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২নং ব্লকের শ্রীবাটী অঞ্চলের নন্দীগ্রামের রায় পরিবারের জগদ্ধাত্রী পূজা। এই বছর এই পুজো ৫৩ বছরে পড়লো। এই পুজো উপলক্ষে উৎসবে মেতে ওঠেন গ্রামের মানুষ। এ যেন তাঁদের কাছে শারদোৎসব। স্থানীয় বাসিন্দার কাছে শোনা যায়,অনেক বছর আগে নন্দীগ্ৰামে রায় পরিবারে জমিদারি ছিল। তখন বর্ধমান জেলার ধেয়া পরগনার বেশকিছুটা অংশ লাভ করেছিল নন্দীগ্ৰামে রায় পরিবার। ৫৩ বছর আগে রায় পরিবারের রেনুপদ রায়ের স্ত্রী দিনতারিনি দেবী মা জগদ্ধাত্রীর স্বপ্নাদেশ পান তাঁকে পুজো করার জন্য।সেই তার পর থেকেই পূজা শুরু করেন তিনি। সেটা ছিল ১৯৬৭ সাল। সেই জমিদারি আজ আর নাই কিন্তু পরিবারের বর্তমান প্রজন্মই চালাচ্ছেন এই পূজা। সেই সময়ের পুজোর নিয়ম কানুন আজও বলবৎ রেখেছেন এই রায় পরিবার। কোনো কিছুই পরিবর্তন হয় নি। বলে জানালেন, রায় পরিবারের সদস্য গৌতম রায়,বাপী রায় ও খোকন রায়। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পূজা একদিনেই করা হয়। পূজার বিশেষ আকর্ষণ হলো কুমারী পূজা। দশমীতে রায় পরিবার মহিলারা সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। করোনা আবহে এবছর রায় পরিবারের পক্ষ থেকে মায়ের পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে অন্নভোগ খাওয়ানো বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারি বিধি মেনে পুজো করা হয়। এই পূজাকে কেন্দ্র করে গ্ৰামে উৎসবের আমেজ এসে যায়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নন্দীগ্রামের রায় পরিবারের জগদ্ধাত্রী পুজো এইবার ৫৩ বছর পড়ল

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২০, সোমবার

রাহুল রায়,নতুন গতি, পূর্ব বর্ধমানঃ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২নং ব্লকের শ্রীবাটী অঞ্চলের নন্দীগ্রামের রায় পরিবারের জগদ্ধাত্রী পূজা। এই বছর এই পুজো ৫৩ বছরে পড়লো। এই পুজো উপলক্ষে উৎসবে মেতে ওঠেন গ্রামের মানুষ। এ যেন তাঁদের কাছে শারদোৎসব। স্থানীয় বাসিন্দার কাছে শোনা যায়,অনেক বছর আগে নন্দীগ্ৰামে রায় পরিবারে জমিদারি ছিল। তখন বর্ধমান জেলার ধেয়া পরগনার বেশকিছুটা অংশ লাভ করেছিল নন্দীগ্ৰামে রায় পরিবার। ৫৩ বছর আগে রায় পরিবারের রেনুপদ রায়ের স্ত্রী দিনতারিনি দেবী মা জগদ্ধাত্রীর স্বপ্নাদেশ পান তাঁকে পুজো করার জন্য।সেই তার পর থেকেই পূজা শুরু করেন তিনি। সেটা ছিল ১৯৬৭ সাল। সেই জমিদারি আজ আর নাই কিন্তু পরিবারের বর্তমান প্রজন্মই চালাচ্ছেন এই পূজা। সেই সময়ের পুজোর নিয়ম কানুন আজও বলবৎ রেখেছেন এই রায় পরিবার। কোনো কিছুই পরিবর্তন হয় নি। বলে জানালেন, রায় পরিবারের সদস্য গৌতম রায়,বাপী রায় ও খোকন রায়। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পূজা একদিনেই করা হয়। পূজার বিশেষ আকর্ষণ হলো কুমারী পূজা। দশমীতে রায় পরিবার মহিলারা সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। করোনা আবহে এবছর রায় পরিবারের পক্ষ থেকে মায়ের পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে অন্নভোগ খাওয়ানো বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারি বিধি মেনে পুজো করা হয়। এই পূজাকে কেন্দ্র করে গ্ৰামে উৎসবের আমেজ এসে যায়।