১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজ্য সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পে উপকৃত কৃষকদের পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :   ২০১৯ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। বেশ কিছু সহায়তা বাদেও ১৮ থেকে ৬০ বছরের ভিতর কোনো কৃষকের মৃত্যু হলে সেই কৃষিকের পরিবারকে জীবন বিমা বাবদ ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেয় সরকার। নবান্নের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই আর্থিক বছরে অগাস্ট মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পে ২৫৩৬ টি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে অর্থ সাহায্য করেছে রাজ্য সরকার। যার ফলে সরকারের খরচ হয়েছে ৫০.৭২ কোটি টাকা।

 

রাজ্যসরকারের রিপোর্ট অনুসারে , ২০১৯ সাল থেকে চালু হওয়া কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত মৃত্যুকালীন সহায়তা পেয়েছেন অন্তত ৯৩ হাজার ৬৩ টি পরিবার। বিগত ৪ বছরে এই প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তা খাতে সরকার খরচ করেছে মোট ১৮৬১ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত ইতিপূর্বে গত ৯ অগাস্ট ১২৫৪ টি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ২৫.৮ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছিল রাজ্যসরকার। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, উক্ত সহায়তা প্রকল্পে প্রতি বছর অন্তত ৩০ হাজার কৃষক পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে উপকৃত হন। এছাড়া রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের বাজেট থেকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে। শোকাহত পরিবারগুলির সহায়তায়র ব্যাপারে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প দেশের যে কোনও রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি প্রশংসনীয়।

 

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পে কৃষকরা বা নথিভুক্ত ভাগচাষিরা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জীবন বীমা পান। এছাড়াও কৃষকদের বছরের নির্দিষ্ট খারিফ এবং রবি মরসুমে ১০০০০ টাকার সাহায্য করা হয় সরকারের তরফে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কৃষকের চাষযোগ্য জমি থাকতে হবে। সেটি পাট্টা জমি অথবা নিজের জমি কিংবা বর্গাদার জমিও হলে চলবে। এবং বাংলার বাসিন্দা হওয়ার পাশাপাশি কৃষকের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পে উপকৃত কৃষকদের পরিবার

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২৩, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :   ২০১৯ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। বেশ কিছু সহায়তা বাদেও ১৮ থেকে ৬০ বছরের ভিতর কোনো কৃষকের মৃত্যু হলে সেই কৃষিকের পরিবারকে জীবন বিমা বাবদ ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেয় সরকার। নবান্নের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই আর্থিক বছরে অগাস্ট মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পে ২৫৩৬ টি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে অর্থ সাহায্য করেছে রাজ্য সরকার। যার ফলে সরকারের খরচ হয়েছে ৫০.৭২ কোটি টাকা।

 

রাজ্যসরকারের রিপোর্ট অনুসারে , ২০১৯ সাল থেকে চালু হওয়া কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত মৃত্যুকালীন সহায়তা পেয়েছেন অন্তত ৯৩ হাজার ৬৩ টি পরিবার। বিগত ৪ বছরে এই প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তা খাতে সরকার খরচ করেছে মোট ১৮৬১ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত ইতিপূর্বে গত ৯ অগাস্ট ১২৫৪ টি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ২৫.৮ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছিল রাজ্যসরকার। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, উক্ত সহায়তা প্রকল্পে প্রতি বছর অন্তত ৩০ হাজার কৃষক পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে উপকৃত হন। এছাড়া রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের বাজেট থেকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে। শোকাহত পরিবারগুলির সহায়তায়র ব্যাপারে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প দেশের যে কোনও রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি প্রশংসনীয়।

 

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পে কৃষকরা বা নথিভুক্ত ভাগচাষিরা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জীবন বীমা পান। এছাড়াও কৃষকদের বছরের নির্দিষ্ট খারিফ এবং রবি মরসুমে ১০০০০ টাকার সাহায্য করা হয় সরকারের তরফে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কৃষকের চাষযোগ্য জমি থাকতে হবে। সেটি পাট্টা জমি অথবা নিজের জমি কিংবা বর্গাদার জমিও হলে চলবে। এবং বাংলার বাসিন্দা হওয়ার পাশাপাশি কৃষকের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে।