২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে মার খেয়ে চারদিন পর মৃত্যু হল ডিওয়াইএফআই কর্মীর। বিক্ষোভে পথ অবরোধ আরামবাগ শহরে

নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে মার খেয়ে চারদিন পর মৃত্যু হল ডিওয়াইএফআই কর্মীর। বিক্ষোভে পথ অবরোধ আরামবাগ শহরে

 

 

 

 

 

নতুন গতি প্রতিবেদক : নবান্ন অভিযানে ডি,ওয়াই,এফ,আই কর্মী কমঃমইদুল ইসলাম মিদ্দা পুলিশের হাতে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হলে চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। গত ১১ তারিখ নবান্ন অভিযান ছিল এসএফআই ডিওয়াইএফআই এর নবান্ন অভিযান অংশগ্রহণ করেছিলেন বাঁকুড়া জেলার ফতেল্লা পুরের বাসিন্দা কমরেড মইদুল ইসলাম।সেখানেই পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়ে পড়ে তাকে ভর্তি করা হয় কলকাতার একটি হাসপাতালে চারদিন পর মৃত্যু ঘটলো কমরেড মঈদুলের। তারই প্রতিবাদে আরামবাগে রাস্তা অবরোধ করে রাখে সিপিএম কর্মীরা। আটকে পড়ে বহু যানবাহন।সিপিএম কর্মীরা ব্যানারে লেখেন কমরেড মইদুল মিদ্দা অমর রহে পাশাপাশি লেখা হয় পুলিশ তোমায় জানাই ধিক্কার দীর্ঘক্ষন পথ অবরোধ করে রাখলে এবং বিক্ষোভ দেখালে ঘটনাস্থলে আরামবাগ থানার পুলিশ।

 

বিশেষ সূত্রে জানা যায় মইদুল ইসলাম মিদ্দা বিষ্ণুপ্রিয়া নাদিমুল ইসলাম বাড়ির একমাত্র রোজগার করতেন বিধবা মা স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে সংসার চালাতেন পেশায় তিনি একজন টোটো চালক ছিলেন এবং এলাকায় ডি ওয়াই এফ আই এর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন তিনি নবাব অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন বেশকিছু সক্রিয় কর্মীদের সঙ্গে বাঁকুড়া থেকে এসেছিলেন কলকাতায় নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণ করতে আর সেখানেই পুলিশের হাতে মর্মান্তিকভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অবশেষে আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে মার খেয়ে চারদিন পর মৃত্যু হল ডিওয়াইএফআই কর্মীর। বিক্ষোভে পথ অবরোধ আরামবাগ শহরে

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, সোমবার

নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে মার খেয়ে চারদিন পর মৃত্যু হল ডিওয়াইএফআই কর্মীর। বিক্ষোভে পথ অবরোধ আরামবাগ শহরে

 

 

 

 

 

নতুন গতি প্রতিবেদক : নবান্ন অভিযানে ডি,ওয়াই,এফ,আই কর্মী কমঃমইদুল ইসলাম মিদ্দা পুলিশের হাতে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হলে চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। গত ১১ তারিখ নবান্ন অভিযান ছিল এসএফআই ডিওয়াইএফআই এর নবান্ন অভিযান অংশগ্রহণ করেছিলেন বাঁকুড়া জেলার ফতেল্লা পুরের বাসিন্দা কমরেড মইদুল ইসলাম।সেখানেই পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়ে পড়ে তাকে ভর্তি করা হয় কলকাতার একটি হাসপাতালে চারদিন পর মৃত্যু ঘটলো কমরেড মঈদুলের। তারই প্রতিবাদে আরামবাগে রাস্তা অবরোধ করে রাখে সিপিএম কর্মীরা। আটকে পড়ে বহু যানবাহন।সিপিএম কর্মীরা ব্যানারে লেখেন কমরেড মইদুল মিদ্দা অমর রহে পাশাপাশি লেখা হয় পুলিশ তোমায় জানাই ধিক্কার দীর্ঘক্ষন পথ অবরোধ করে রাখলে এবং বিক্ষোভ দেখালে ঘটনাস্থলে আরামবাগ থানার পুলিশ।

 

বিশেষ সূত্রে জানা যায় মইদুল ইসলাম মিদ্দা বিষ্ণুপ্রিয়া নাদিমুল ইসলাম বাড়ির একমাত্র রোজগার করতেন বিধবা মা স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে সংসার চালাতেন পেশায় তিনি একজন টোটো চালক ছিলেন এবং এলাকায় ডি ওয়াই এফ আই এর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন তিনি নবাব অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন বেশকিছু সক্রিয় কর্মীদের সঙ্গে বাঁকুড়া থেকে এসেছিলেন কলকাতায় নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণ করতে আর সেখানেই পুলিশের হাতে মর্মান্তিকভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অবশেষে আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।