১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

রাস্তায় পড়ে যাওয়া কাজপত্র উদ্ধার ফিরিয়ে দিলো সুবর্ণ রৈখিক সমাজ মাধ্যম গ্রুপ

নিজস্ব সংবাদদাতা,গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম: বুধবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর থেকে তপশিয়ার দিকে একটি পারিবারিক সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছিলেন সুবর্ণ রৈখিক ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা বিষয়ক ফেসবুক গ্রুপ আমরকার ভাষা আমারকার গর্ব-এর কয়েকজন সদস্য।সেই সময় গোপীবল্লভপুরে কাজে আসা রাইপালের বাসিন্দা গ্রুপের অপর এক সদস্য সৌভিক জানা গ্রুপের পরিচালকদের ফোন করে জানান তিনি গোপীবল্লভপুরের রাস্তায় কিছু কিছু জরুরী কাগজপত্র কুড়িয়ে পেয়েছেন এবং তিনি সেগুলো সুবর্ণ রৈখিক ফেসবুক গ্রুপকে কাজে লাগিয়ে সেই কাগজপত্র, কাগজপত্রের মালিককে ফিরিয়ে দিতে চান।কিছু সময়ের মধ্য তিনি গোপীবল্লভপুরের সিধু-কানু-বীরসা সেতুর কাছে এসে কাগজপত্র গ্রপের পরিচালকদের হাতে তুলে দেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার হয়।তার কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রুপের সদস্যরা লক্ষ্য করেন কাগজপত্রে, কাগজপত্রের মালিক গোপীবল্লভপুর থানার হাতিমারা গ্রামের বাসিন্দা করুনাকরণ মুরমুর নাম ঠিকানা যেমন রয়েছে তেমনি ফোন নংও রয়েছে। তৎক্ষণাৎ তপসিয়ার অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে ফোনে করুনাকরণ মুরমুর সাথে ফোনে গ্রুপের পরিচালকদের পক্ষে যোগাযোগ করেন শিক্ষক সুদীপ কুমার খাঁড়া। ফোন পেয়ে তপসিয়া আসেন বছর ২৩-এর যুবক করুনাকরণ মুরমু।তপসিযার সুরেন্দ্র বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে তাঁর হাতে গ্রুপের পক্ষ থেকে কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ কুমার খাঁড়া, মুরলীধর বাগ, অনিমেষ সিংহ,প্রমিশ প্রতিম পাঁঞ্জা,শিব পাণিগ্রাহী, দীপক মন্ডল প্রমুখ।গ্রুপের পরিচালকদের পক্ষে বিশ্বজিৎ পাল জানান,সবার সহযোগিতায় গ্রুপের উদ্যোগে এই কাজ করতে পেরে তাঁরা খুশি। কাগজপত্র ফেরত পেয়ে গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান করুণাকরন মুর্মু।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাস্তায় পড়ে যাওয়া কাজপত্র উদ্ধার ফিরিয়ে দিলো সুবর্ণ রৈখিক সমাজ মাধ্যম গ্রুপ

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা,গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম: বুধবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর থেকে তপশিয়ার দিকে একটি পারিবারিক সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছিলেন সুবর্ণ রৈখিক ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা বিষয়ক ফেসবুক গ্রুপ আমরকার ভাষা আমারকার গর্ব-এর কয়েকজন সদস্য।সেই সময় গোপীবল্লভপুরে কাজে আসা রাইপালের বাসিন্দা গ্রুপের অপর এক সদস্য সৌভিক জানা গ্রুপের পরিচালকদের ফোন করে জানান তিনি গোপীবল্লভপুরের রাস্তায় কিছু কিছু জরুরী কাগজপত্র কুড়িয়ে পেয়েছেন এবং তিনি সেগুলো সুবর্ণ রৈখিক ফেসবুক গ্রুপকে কাজে লাগিয়ে সেই কাগজপত্র, কাগজপত্রের মালিককে ফিরিয়ে দিতে চান।কিছু সময়ের মধ্য তিনি গোপীবল্লভপুরের সিধু-কানু-বীরসা সেতুর কাছে এসে কাগজপত্র গ্রপের পরিচালকদের হাতে তুলে দেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার হয়।তার কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রুপের সদস্যরা লক্ষ্য করেন কাগজপত্রে, কাগজপত্রের মালিক গোপীবল্লভপুর থানার হাতিমারা গ্রামের বাসিন্দা করুনাকরণ মুরমুর নাম ঠিকানা যেমন রয়েছে তেমনি ফোন নংও রয়েছে। তৎক্ষণাৎ তপসিয়ার অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে ফোনে করুনাকরণ মুরমুর সাথে ফোনে গ্রুপের পরিচালকদের পক্ষে যোগাযোগ করেন শিক্ষক সুদীপ কুমার খাঁড়া। ফোন পেয়ে তপসিয়া আসেন বছর ২৩-এর যুবক করুনাকরণ মুরমু।তপসিযার সুরেন্দ্র বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে তাঁর হাতে গ্রুপের পক্ষ থেকে কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ কুমার খাঁড়া, মুরলীধর বাগ, অনিমেষ সিংহ,প্রমিশ প্রতিম পাঁঞ্জা,শিব পাণিগ্রাহী, দীপক মন্ডল প্রমুখ।গ্রুপের পরিচালকদের পক্ষে বিশ্বজিৎ পাল জানান,সবার সহযোগিতায় গ্রুপের উদ্যোগে এই কাজ করতে পেরে তাঁরা খুশি। কাগজপত্র ফেরত পেয়ে গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান করুণাকরন মুর্মু।