০৭ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৭ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শব্দদূষণ রুখতে রাজ্যজুড়ে অভিযান, দু’দিনে খুলল ১,৪৭৮ লাউডস্পিকার

কলকাতা: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত দু’দিনে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,৪৭৮টি লাউডস্পিকার খুলে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। প্রশাসনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ২০০০ অনুযায়ী নির্ধারিত শব্দসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ১,২৭৯টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির থেকে লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা মেনেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। পুলিশের শীর্ষ কর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত আইন কার্যকর করতেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে বিধি প্রয়োগ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে একই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পরিবেশ রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন কঠোরভাবে কার্যকর করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

সর্বাধিক পাঠিত

পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে উধাও শিশু, চাঞ্চল্য কোচবিহারে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শব্দদূষণ রুখতে রাজ্যজুড়ে অভিযান, দু’দিনে খুলল ১,৪৭৮ লাউডস্পিকার

আপডেট : ৭ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার

কলকাতা: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত দু’দিনে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,৪৭৮টি লাউডস্পিকার খুলে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। প্রশাসনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ২০০০ অনুযায়ী নির্ধারিত শব্দসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ১,২৭৯টি মসজিদ এবং ১৯৯টি মন্দির থেকে লাউডস্পিকার অপসারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা মেনেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। পুলিশের শীর্ষ কর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত আইন কার্যকর করতেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে বিধি প্রয়োগ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে একই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পরিবেশ রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন কঠোরভাবে কার্যকর করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।