২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফের ধসের তাণ্ডব পশ্চিম সিকিমে, বিপদসীমায় একাধিক বাড়ি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 12
সিকিম: টানা বৃষ্টির মধ্যেই ফের বড়সড় ধস নামল পশ্চিম সিকিমে। ইয়ুকসোম-তাশিডিং বিধানসভা এলাকার রিম্বি গ্রামে ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে ধস নামায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, মাটি, বড় পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। ধসের গতিপথ ক্রমশ গ্রামের দিকে ঘুরে যাওয়ায় একাধিক বসতবাড়ি এখন ঝুঁকির মধ্যে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, মুকসাম লিম্বু, সুদীপ লিম্বু ও অশোক রাইয়ের বাড়ি-সহ বেশ কয়েকটি বাড়ি সম্ভাব্য বিপজ্জনক এলাকার মধ্যে রয়েছে। ধসের মাটি ও পাথর আরও নিচে নেমে এলে বাড়িগুলির ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে কয়েকজন বাসিন্দা ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।
ধসের জেরে স্থানীয় যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাটির নড়াচড়া অব্যাহত থাকায় আরও বড় ধসের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে বৃষ্টি চলতে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা।
প্রথমে পাহাড়ের ঢালে শুরু হওয়া ধস এখন গ্রামের দিকে এগিয়ে আসায় উদ্বেগ বেড়েছে। আপাতত ধসের গতিবিধি ও বৃষ্টির পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন স্থানীয়রা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে।

সুপারভাইজার নিয়োগের দাবিতে পঞ্চায়েত ঘেরাও, দুর্নীতির অভিযোগে উত্তপ্ত লক্ষ্মী-জনার্দনপুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের ধসের তাণ্ডব পশ্চিম সিকিমে, বিপদসীমায় একাধিক বাড়ি

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
সিকিম: টানা বৃষ্টির মধ্যেই ফের বড়সড় ধস নামল পশ্চিম সিকিমে। ইয়ুকসোম-তাশিডিং বিধানসভা এলাকার রিম্বি গ্রামে ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে ধস নামায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, মাটি, বড় পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। ধসের গতিপথ ক্রমশ গ্রামের দিকে ঘুরে যাওয়ায় একাধিক বসতবাড়ি এখন ঝুঁকির মধ্যে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, মুকসাম লিম্বু, সুদীপ লিম্বু ও অশোক রাইয়ের বাড়ি-সহ বেশ কয়েকটি বাড়ি সম্ভাব্য বিপজ্জনক এলাকার মধ্যে রয়েছে। ধসের মাটি ও পাথর আরও নিচে নেমে এলে বাড়িগুলির ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে কয়েকজন বাসিন্দা ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।
ধসের জেরে স্থানীয় যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাটির নড়াচড়া অব্যাহত থাকায় আরও বড় ধসের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে বৃষ্টি চলতে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা।
প্রথমে পাহাড়ের ঢালে শুরু হওয়া ধস এখন গ্রামের দিকে এগিয়ে আসায় উদ্বেগ বেড়েছে। আপাতত ধসের গতিবিধি ও বৃষ্টির পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন স্থানীয়রা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে।