২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শামি ও বুমরার দাপটে ভাঙলো আফ্রিকা, ১১৩ রানে জয় ভারতের

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার
  • 9

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: সেঞ্চুরিয়নে টানা অষ্টম টেস্ট জয় ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ৩০৫ রান। চতুর্থ দিনের শেষে প্রোটিয়াদের স্কোর ছিল ৪০.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৪। আজ মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে আরও তিনটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লাঞ্চে প্রোটিয়াদের স্কোর ছিল ৬৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২। বাকি তিনটি উইকেট ভারত তুলে নিল লাঞ্চের পর মাত্র দুই ওভারেই। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে মার্কো জানসেন মহম্মদ শামির বলে কট বিহাইন্ড হন। পরের ওভারের শেষ দুই বলে কাগিসো রাবাডা ও লুঙ্গি এনগিডিকে আউট করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

আজ জসপ্রীত বুমরাহর বলে ডিন এলগার লেগ বিফোর হতেই ভারতের জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এলগার ও বাভুমা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা চূড়ান্ত ব্যর্থ। প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার করলেন সর্বাধিক ৭৭, ১৫৬ বলের ইনিংসে রয়েছে ১২টি চার। তেম্বা বাভুমা ৮০ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকলেন। ভারতের সফলতম বোলার জসপ্রীত বুমরাহ ১৯ ওভারে ৪টি মেডেন-সহ ৫০ রানে তিনটি উইকেট পেলেন। দুই ইনিংসে ভারতীয় বোলাররা প্রোটিয়াদের দুশো টপকাতে দেননি, এটিও যথেষ্টই প্রশংসনীয় কীর্তি। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৭৪ রানে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ১৯৭ রান করার পর প্রোটিয়ারা গুটিয়ে গেল ১৯১ রানে।

মহম্মদ শামি এই টেস্টে নিলেন মোট ৮ উইকেট। ১৭ ওভারে ৩টি মেডেন-সহ ৬৩ রানের বিনিময়ে তিনি নিলেন ৩টি উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ২ উইকেট নিলেন ৪৭ রানের বিনিময়ে, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন লোকেশ রাহুল। সেঞ্চুরিয়নে প্রথমবার টেস্ট জয়ের স্বাদ পাওয়া ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস নিশ্চিতভাবেই বাড়িয়ে দিল। তাও আবার বৃষ্টিতে দ্বিতীয় দিনের খেলা ধুয়ে যাওয়ার পর। ৩ জানুয়ারি থেকে জোহানেসবার্গে শুরু তিন টেস্টের সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।

 

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শামি ও বুমরার দাপটে ভাঙলো আফ্রিকা, ১১৩ রানে জয় ভারতের

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: সেঞ্চুরিয়নে টানা অষ্টম টেস্ট জয় ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ৩০৫ রান। চতুর্থ দিনের শেষে প্রোটিয়াদের স্কোর ছিল ৪০.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৪। আজ মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে আরও তিনটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লাঞ্চে প্রোটিয়াদের স্কোর ছিল ৬৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২। বাকি তিনটি উইকেট ভারত তুলে নিল লাঞ্চের পর মাত্র দুই ওভারেই। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে মার্কো জানসেন মহম্মদ শামির বলে কট বিহাইন্ড হন। পরের ওভারের শেষ দুই বলে কাগিসো রাবাডা ও লুঙ্গি এনগিডিকে আউট করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

আজ জসপ্রীত বুমরাহর বলে ডিন এলগার লেগ বিফোর হতেই ভারতের জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এলগার ও বাভুমা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা চূড়ান্ত ব্যর্থ। প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার করলেন সর্বাধিক ৭৭, ১৫৬ বলের ইনিংসে রয়েছে ১২টি চার। তেম্বা বাভুমা ৮০ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকলেন। ভারতের সফলতম বোলার জসপ্রীত বুমরাহ ১৯ ওভারে ৪টি মেডেন-সহ ৫০ রানে তিনটি উইকেট পেলেন। দুই ইনিংসে ভারতীয় বোলাররা প্রোটিয়াদের দুশো টপকাতে দেননি, এটিও যথেষ্টই প্রশংসনীয় কীর্তি। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৭৪ রানে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ১৯৭ রান করার পর প্রোটিয়ারা গুটিয়ে গেল ১৯১ রানে।

মহম্মদ শামি এই টেস্টে নিলেন মোট ৮ উইকেট। ১৭ ওভারে ৩টি মেডেন-সহ ৬৩ রানের বিনিময়ে তিনি নিলেন ৩টি উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ২ উইকেট নিলেন ৪৭ রানের বিনিময়ে, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন লোকেশ রাহুল। সেঞ্চুরিয়নে প্রথমবার টেস্ট জয়ের স্বাদ পাওয়া ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস নিশ্চিতভাবেই বাড়িয়ে দিল। তাও আবার বৃষ্টিতে দ্বিতীয় দিনের খেলা ধুয়ে যাওয়ার পর। ৩ জানুয়ারি থেকে জোহানেসবার্গে শুরু তিন টেস্টের সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।