১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্কুল শিক্ষকের টিউশনি পড়ানোকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ডাউকিমারীতে

ডাউকিমারী: চলছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বন্ধ স্কুল কলেজে পঠন পাঠন। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই সরকারি নির্দেশিকা কে অমান্য করে চলছে টিউশনি। সরকারের তরফে সরকারি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের টিউশনিতে না। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও আইন অমান্য করেটিউশনি করাচ্ছেন ডাউকিমারী ডি এন হাই স্কুল এর ইংলিশ বিভাগের শিক্ষক কল্যাণ সরকার। জানা যায় গত তিন-চার মাস আগে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিয়ে তিনি ওই স্কুলে যোগদান করেন। এরপর স্কুলের পাশেই রুম ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়িয়ে চলছেন তিনি। ঘটনাটি নজরে আসে, এলাকার বেশ কিছু প্রাইভেট টিউটরের। যাদের একমাত্র আয়ের রাস্তা টিউশনি। তারা ওই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে যান। সেখানে ঐ শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি একজন সরকারি স্কুলের শিক্ষক হয়ে কেন টিউশন পড়াচ্ছেন? সদস্যদের এমন প্রশ্নে ওই শিক্ষক তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন এবং দেখে নেবেন বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এমনকি সেই বাড়ির মালিক সেখানে ঢুকতে বাধা দেন। তবে তিনি নিজের মুখে স্বীকার করে নেন প্রায় দুশো মত স্টুডেন্টকে পড়ানোর কথা। ইতিপূর্বেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিউশনি পড়া কে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষকের কাছে ডেপুটেশন দেন ওই এলাকার প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশন। তা সত্ত্বেও কোন তোয়াক্কা না করেই দিনের পর দিন চলছিল টিউশনি।ফলে এদিন স্বভাবতই ক্ষোভের সঞ্চার হয় প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে।

প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ব্যাপারে ওই শিক্ষকের টিউশনি বন্ধের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে শিক্ষকের তিনি বলেন” আপনাদের কি করার আছে করুন আমার কিছুই যায় আসে না। আমার যেখানে খুশি সেখানে টিউশন পড়াবো।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্কুল শিক্ষকের টিউশনি পড়ানোকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ডাউকিমারীতে

আপডেট : ১২ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার

ডাউকিমারী: চলছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বন্ধ স্কুল কলেজে পঠন পাঠন। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই সরকারি নির্দেশিকা কে অমান্য করে চলছে টিউশনি। সরকারের তরফে সরকারি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের টিউশনিতে না। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও আইন অমান্য করেটিউশনি করাচ্ছেন ডাউকিমারী ডি এন হাই স্কুল এর ইংলিশ বিভাগের শিক্ষক কল্যাণ সরকার। জানা যায় গত তিন-চার মাস আগে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিয়ে তিনি ওই স্কুলে যোগদান করেন। এরপর স্কুলের পাশেই রুম ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়িয়ে চলছেন তিনি। ঘটনাটি নজরে আসে, এলাকার বেশ কিছু প্রাইভেট টিউটরের। যাদের একমাত্র আয়ের রাস্তা টিউশনি। তারা ওই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে যান। সেখানে ঐ শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি একজন সরকারি স্কুলের শিক্ষক হয়ে কেন টিউশন পড়াচ্ছেন? সদস্যদের এমন প্রশ্নে ওই শিক্ষক তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন এবং দেখে নেবেন বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এমনকি সেই বাড়ির মালিক সেখানে ঢুকতে বাধা দেন। তবে তিনি নিজের মুখে স্বীকার করে নেন প্রায় দুশো মত স্টুডেন্টকে পড়ানোর কথা। ইতিপূর্বেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিউশনি পড়া কে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষকের কাছে ডেপুটেশন দেন ওই এলাকার প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশন। তা সত্ত্বেও কোন তোয়াক্কা না করেই দিনের পর দিন চলছিল টিউশনি।ফলে এদিন স্বভাবতই ক্ষোভের সঞ্চার হয় প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে।

প্রাইভেট টিউটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ব্যাপারে ওই শিক্ষকের টিউশনি বন্ধের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে শিক্ষকের তিনি বলেন” আপনাদের কি করার আছে করুন আমার কিছুই যায় আসে না। আমার যেখানে খুশি সেখানে টিউশন পড়াবো।