১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের উদ্যোগে “প্রণাম মাস্টারমশাই” শীর্ষক অনুষ্ঠান 

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার
  • 12

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর : মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ স্যোশাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে শিক্ষক দিবসকে উপলক্ষ্য করে একটি বৃহদাকারের শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর স্মৃতি মন্দির সভাগৃহে। ছাত্র সমাজের উদ্যোগে এটি ছিল শিক্ষক সংবর্ধনার নবম বর্ষের অনুষ্ঠান।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি, মেদিনীপুরের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান, প্রাক্তন অধ্যাপক কুমারেশ ঘোষ,প্রাক্তন শিক্ষিকা নূপুর ঘোষ সহ, সমাজকর্মী ঝর্ণা আচার্য, সদানন্দ সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট গুণী মানুষেরা। এই মঞ্চ থেকে “সর্বপল্লি সম্মান” পান ভারতের লোধাজাতির প্রথম গ্র্যাজুয়েট প্রহ্লাদ ভক্তা, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত মাদুর শিল্পী পুষ্প জানা, ডেবরা জুভেনাইল হোমের প্রতিষ্ঠাতা ত্রিদিব দাস বেরা ও ভারতীয় সংবিধানের সাঁওতালি ভাষার অনুবাদক শ্রীপতি টুডু। এছাড়া প্রায় ষাটজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে এবং দশটি সমাজসেবী সংগঠনকে এই মঞ্চে সম্মানিত করা হয়। ছাত্র সমাজের সভাপতি কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী বলেন, “ছাত্রসমাজ যেমন সবসময় সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থাকে তেমনি সমাজগড়ার কারিগর শিক্ষক জাতিকেও শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে বদ্ধপরিকর”।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের উদ্যোগে “প্রণাম মাস্টারমশাই” শীর্ষক অনুষ্ঠান 

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর : মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ স্যোশাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে শিক্ষক দিবসকে উপলক্ষ্য করে একটি বৃহদাকারের শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর স্মৃতি মন্দির সভাগৃহে। ছাত্র সমাজের উদ্যোগে এটি ছিল শিক্ষক সংবর্ধনার নবম বর্ষের অনুষ্ঠান।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি, মেদিনীপুরের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান, প্রাক্তন অধ্যাপক কুমারেশ ঘোষ,প্রাক্তন শিক্ষিকা নূপুর ঘোষ সহ, সমাজকর্মী ঝর্ণা আচার্য, সদানন্দ সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট গুণী মানুষেরা। এই মঞ্চ থেকে “সর্বপল্লি সম্মান” পান ভারতের লোধাজাতির প্রথম গ্র্যাজুয়েট প্রহ্লাদ ভক্তা, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত মাদুর শিল্পী পুষ্প জানা, ডেবরা জুভেনাইল হোমের প্রতিষ্ঠাতা ত্রিদিব দাস বেরা ও ভারতীয় সংবিধানের সাঁওতালি ভাষার অনুবাদক শ্রীপতি টুডু। এছাড়া প্রায় ষাটজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে এবং দশটি সমাজসেবী সংগঠনকে এই মঞ্চে সম্মানিত করা হয়। ছাত্র সমাজের সভাপতি কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী বলেন, “ছাত্রসমাজ যেমন সবসময় সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থাকে তেমনি সমাজগড়ার কারিগর শিক্ষক জাতিকেও শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে বদ্ধপরিকর”।