২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাংবাদিক সম্মেলন লাইভ মাঝপথে বন্ধ করে দেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেল

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হার প্রায় নিশ্চিত। শীঘ্রই ছাড়তে হবে হোয়াইট হাউস। আর সেটা বুঝতে পেরেই ‘ভুল বকা’ শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump)। বৃহস্পতিবার রাতে ১৭ মিনিটের এক বক্তৃতায় ট্রাম্প দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাটরা ভোট চুরি করে নির্বাচন ছিনিয়ে নিতে চাইছে। ‘বৈধ’ ভোটের নিরিখে তিনিই জয়ী হয়েছেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অন্তঃসারশূন্য বলে মনে করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশ। তাঁদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একের পর এক মিথ্যা বলছেন। যার জেরে মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্যের লাইভ সম্প্রচার থামিয়ে দিয়েছে বহু আমেরিকান টিভি চ্যানেল। যা এককথায় বেনজির।

৩ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচন (US Presidential Election 2020) শেষ হলেও বেনজিরভাবে কয়েকটি সুইং স্টেটে এসে দাঁড়িয়েছে দুই প্রার্থীর ভাগ্য। তবে ২৬৪টি ইলেক্টোরাল ভোট বা আসন নিয়ে ২৭০-এর ম্যাজিক ফিগার প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছেন বিডেন (Joe Biden)। এদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি ভোট। কিন্তু অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, পেনসিলভেনিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা ও নেভাডার মতো রাজ্যের ফল এখনও আসেনি। তবে ফের প্রেসিডেন্ট পদে বসতে হলে এই সব রাজ্যেই জয়ী হতে হবে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পকে। অথচ মাত্র একটি রাজ্য দখল করলেই হোয়াইট হাউসে পৌঁছে যাবেন বিডেন। যা পরিস্থিতি তাতে ট্রাম্পের হার এখন অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই হার মানতে রাজি নন।

গতকাল এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন,”যদি বৈধ ভোট গোণা হয় আমি সহজেই জিতে যাচ্ছি। ওঁরা নির্বাচন চুরি করার চেষ্টা করছে। আমি ইতিমধ্যেই বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য জিতে গিয়েছি। বড় ব্যবধানে জিতেছি। আমি কিছু রাজ্যে জিতেছি, যেগুলোতে ওরাও জয় দাবি করছে। আমরা দাবি করতেই পারি, কিন্তু শেষ কথা বলবেন বিচারক। আমার বিশ্বাস আমরা সহজেই ভোটে জিতব। তবে অনেক আইনি লড়াই হবে। আমাদের কাছে বহু প্রমাণ আছে। এভাবে একটা নির্বাচন চুরি করে নিতে দেব না।” কিন্তু ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ভিত্তিহীন এবং ভুলে ভরা বলে দাবি করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশ।

যার জেরে প্রথম সারির মার্কিন সংবাদমাধ্যম MSNBC মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সঞ্চালক বলেন, আমরা আবার সেই একই পরিস্থিতিতে। আমাদের শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করতে হচ্ছে তাই নয়, ওঁর মিথ্যে গুলোও শুধরে দিতে হচ্ছে। NBC এবং ABC নিউজও মাঝপথে ট্রাম্পের ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। CNN-এর সঞ্চালক জ্যাক ট্যাপার সরাসরি বলে দেন, প্রেসিডেন্ট একের পর এক মিথ্যে বলেই চলেছেন। আমেরিকাবাসীর জন্য এটা একটা দুঃখের রাত। মার্কিন মিডিয়ার এই সাহসিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষত বিশ্বের বহু দেশেই যখন সংবাদমাধ্যমকে সরকারের অনুগত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

যার জেরে প্রথম সারির মার্কিন সংবাদমাধ্যম MSNBC মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সঞ্চালক বলেন, আমরা আবার সেই একই পরিস্থিতিতে। আমাদের শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করতে হচ্ছে তাই নয়, ওঁর মিথ্যে গুলোও শুধরে দিতে হচ্ছে। NBC এবং ABC নিউজও মাঝপথে ট্রাম্পের ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। CNN-এর সঞ্চালক জ্যাক ট্যাপার সরাসরি বলে দেন, প্রেসিডেন্ট একের পর এক মিথ্যে বলেই চলেছেন। আমেরিকাবাসীর জন্য এটা একটা দুঃখের রাত। মার্কিন মিডিয়ার এই সাহসিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষত বিশ্বের বহু দেশেই যখন সংবাদমাধ্যমকে সরকারের অনুগত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাংবাদিক সম্মেলন লাইভ মাঝপথে বন্ধ করে দেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেল

আপডেট : ৬ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হার প্রায় নিশ্চিত। শীঘ্রই ছাড়তে হবে হোয়াইট হাউস। আর সেটা বুঝতে পেরেই ‘ভুল বকা’ শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump)। বৃহস্পতিবার রাতে ১৭ মিনিটের এক বক্তৃতায় ট্রাম্প দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাটরা ভোট চুরি করে নির্বাচন ছিনিয়ে নিতে চাইছে। ‘বৈধ’ ভোটের নিরিখে তিনিই জয়ী হয়েছেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অন্তঃসারশূন্য বলে মনে করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশ। তাঁদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একের পর এক মিথ্যা বলছেন। যার জেরে মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্যের লাইভ সম্প্রচার থামিয়ে দিয়েছে বহু আমেরিকান টিভি চ্যানেল। যা এককথায় বেনজির।

৩ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচন (US Presidential Election 2020) শেষ হলেও বেনজিরভাবে কয়েকটি সুইং স্টেটে এসে দাঁড়িয়েছে দুই প্রার্থীর ভাগ্য। তবে ২৬৪টি ইলেক্টোরাল ভোট বা আসন নিয়ে ২৭০-এর ম্যাজিক ফিগার প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছেন বিডেন (Joe Biden)। এদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি ভোট। কিন্তু অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, পেনসিলভেনিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা ও নেভাডার মতো রাজ্যের ফল এখনও আসেনি। তবে ফের প্রেসিডেন্ট পদে বসতে হলে এই সব রাজ্যেই জয়ী হতে হবে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পকে। অথচ মাত্র একটি রাজ্য দখল করলেই হোয়াইট হাউসে পৌঁছে যাবেন বিডেন। যা পরিস্থিতি তাতে ট্রাম্পের হার এখন অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই হার মানতে রাজি নন।

গতকাল এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন,”যদি বৈধ ভোট গোণা হয় আমি সহজেই জিতে যাচ্ছি। ওঁরা নির্বাচন চুরি করার চেষ্টা করছে। আমি ইতিমধ্যেই বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য জিতে গিয়েছি। বড় ব্যবধানে জিতেছি। আমি কিছু রাজ্যে জিতেছি, যেগুলোতে ওরাও জয় দাবি করছে। আমরা দাবি করতেই পারি, কিন্তু শেষ কথা বলবেন বিচারক। আমার বিশ্বাস আমরা সহজেই ভোটে জিতব। তবে অনেক আইনি লড়াই হবে। আমাদের কাছে বহু প্রমাণ আছে। এভাবে একটা নির্বাচন চুরি করে নিতে দেব না।” কিন্তু ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ভিত্তিহীন এবং ভুলে ভরা বলে দাবি করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশ।

যার জেরে প্রথম সারির মার্কিন সংবাদমাধ্যম MSNBC মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সঞ্চালক বলেন, আমরা আবার সেই একই পরিস্থিতিতে। আমাদের শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করতে হচ্ছে তাই নয়, ওঁর মিথ্যে গুলোও শুধরে দিতে হচ্ছে। NBC এবং ABC নিউজও মাঝপথে ট্রাম্পের ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। CNN-এর সঞ্চালক জ্যাক ট্যাপার সরাসরি বলে দেন, প্রেসিডেন্ট একের পর এক মিথ্যে বলেই চলেছেন। আমেরিকাবাসীর জন্য এটা একটা দুঃখের রাত। মার্কিন মিডিয়ার এই সাহসিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষত বিশ্বের বহু দেশেই যখন সংবাদমাধ্যমকে সরকারের অনুগত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

যার জেরে প্রথম সারির মার্কিন সংবাদমাধ্যম MSNBC মাঝপথে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সঞ্চালক বলেন, আমরা আবার সেই একই পরিস্থিতিতে। আমাদের শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সম্প্রচার বন্ধ করতে হচ্ছে তাই নয়, ওঁর মিথ্যে গুলোও শুধরে দিতে হচ্ছে। NBC এবং ABC নিউজও মাঝপথে ট্রাম্পের ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। CNN-এর সঞ্চালক জ্যাক ট্যাপার সরাসরি বলে দেন, প্রেসিডেন্ট একের পর এক মিথ্যে বলেই চলেছেন। আমেরিকাবাসীর জন্য এটা একটা দুঃখের রাত। মার্কিন মিডিয়ার এই সাহসিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষত বিশ্বের বহু দেশেই যখন সংবাদমাধ্যমকে সরকারের অনুগত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।