০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

গরু মজুতের অভিযোগে পুলিশের অভিযান, ধৃত বাড়ির মালিক

হরেকৃষ্ণ মন্ডল,ফালাকাটা: গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ফালাকাটা থানার জটেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ চাংমারিটারি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি গরু উদ্ধার করে। অভিযোগ, গরুগুলি অবৈধভাবে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চাংমারিটারি এলাকার বাসিন্দা মিয়া ওবাইদুলা ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ১৩টি গরু উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলির বৈধ মালিকানার কোনও নথি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অভিযুক্ত দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে আটক করে।ধৃতের নাম মিয়া ওবাইদুলা ইসলাম। তিনি মহিউদ্দিন মিয়ার পুত্র এবং ধনিরামপুর-২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চাংমারিটারি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ধারায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া গবাদিপশুর উৎস ও সেগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। ধৃতকে আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতে তোলা হয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধভাবে গবাদিপশু মজুত, পাচার বা জবাই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পেলেই ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সর্বাধিক পাঠিত

নলহাটির কয়থা সমবায় ফের বাম-কংগ্রেস জোটের দখলে, অনাস্থা ডেকেও হারল তৃণমূল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গরু মজুতের অভিযোগে পুলিশের অভিযান, ধৃত বাড়ির মালিক

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
হরেকৃষ্ণ মন্ডল,ফালাকাটা: গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ফালাকাটা থানার জটেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ চাংমারিটারি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি গরু উদ্ধার করে। অভিযোগ, গরুগুলি অবৈধভাবে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চাংমারিটারি এলাকার বাসিন্দা মিয়া ওবাইদুলা ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ১৩টি গরু উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলির বৈধ মালিকানার কোনও নথি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অভিযুক্ত দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে আটক করে।ধৃতের নাম মিয়া ওবাইদুলা ইসলাম। তিনি মহিউদ্দিন মিয়ার পুত্র এবং ধনিরামপুর-২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চাংমারিটারি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ধারায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া গবাদিপশুর উৎস ও সেগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। ধৃতকে আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতে তোলা হয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধভাবে গবাদিপশু মজুত, পাচার বা জবাই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পেলেই ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।