০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ঝাড়ু হাতে সাফাইয়ের কাজে নামলেন একাধিক মন্ত্রী সহ আধিকারিক

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গঙ্গাসাগর মেলা সমাপ্ত হওয়ার পর সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী সহ একাধিক আধিকারিক নিজ হাতে ঝাঁড়ু নিয়ে পরিষ্কার করতে দেখা গেল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের পুণ্যার্থীরা পুণ্য অর্জনের নিমিত্তে গঙ্গাসাগরে আগমন। গঙ্গাসাগরে বেশ কয়েক জন  মন্ত্রী হয়েও সাধারন একজন হিসাবে ঝাঁড়ু হাতে সাফাইয়ের কাজে নেমে পড়ায়, এমনি কর্মসূচি  দেখে সাধারণ মানুষ তারিফ করতে  শুরু করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় পুণ্যার্থীদের সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করেছেন। কয়েক লক্ষ মানুষের জমায়েত সোশ্যাল ডিসটেন্স এর নিয়ম মানতে পূণ্যার্থীদের একটু অসুবিধা হলে ও গঙ্গাসাগর এক অবিস্মরণীয়। সব তীর্থ বার বার গঙ্গাসাগর একবার। অর্থাৎ পুণ্য অর্জনের নিমিত্তে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান থেকে গঙ্গাসাগর আসা পর্যটকদের পদধূলি কে পরিষ্কার করার ব্রতী  হয়েছেন সাগর বিধান সভার বিধায়ক  পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী  বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। সরকারের  নিয়ম অনুযায়ী শেষ হলো এবারের গঙ্গাসাগর মেলা, এবার এখন বাড়ি ফেরার পালা এদিন আনুমানিক দুপুর একটায় বেলা শেষ ঘোষণা করলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ ও ক্রীড়া যুব কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তারপর সদলবলে গঙ্গাসাগরে তিন নম্বর রাস্তা থেকে সাগর পর্যন্ত ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান নামেন একাধিক  মন্ত্রীবর্গ, ছিলেন জনসাস্থ কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী, সুন্দরবন উন্নয়ন উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত মালিক, জেলাশাসক উল্কা নাথন, সুন্দরবন পুলিশ জেলার সুপার ভাস্কর মুখার্জি সহ একাধিক ব্যক্তি বর্গ।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঝাড়ু হাতে সাফাইয়ের কাজে নামলেন একাধিক মন্ত্রী সহ আধিকারিক

আপডেট : ১৮ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গঙ্গাসাগর মেলা সমাপ্ত হওয়ার পর সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী সহ একাধিক আধিকারিক নিজ হাতে ঝাঁড়ু নিয়ে পরিষ্কার করতে দেখা গেল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের পুণ্যার্থীরা পুণ্য অর্জনের নিমিত্তে গঙ্গাসাগরে আগমন। গঙ্গাসাগরে বেশ কয়েক জন  মন্ত্রী হয়েও সাধারন একজন হিসাবে ঝাঁড়ু হাতে সাফাইয়ের কাজে নেমে পড়ায়, এমনি কর্মসূচি  দেখে সাধারণ মানুষ তারিফ করতে  শুরু করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় পুণ্যার্থীদের সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করেছেন। কয়েক লক্ষ মানুষের জমায়েত সোশ্যাল ডিসটেন্স এর নিয়ম মানতে পূণ্যার্থীদের একটু অসুবিধা হলে ও গঙ্গাসাগর এক অবিস্মরণীয়। সব তীর্থ বার বার গঙ্গাসাগর একবার। অর্থাৎ পুণ্য অর্জনের নিমিত্তে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান থেকে গঙ্গাসাগর আসা পর্যটকদের পদধূলি কে পরিষ্কার করার ব্রতী  হয়েছেন সাগর বিধান সভার বিধায়ক  পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী  বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। সরকারের  নিয়ম অনুযায়ী শেষ হলো এবারের গঙ্গাসাগর মেলা, এবার এখন বাড়ি ফেরার পালা এদিন আনুমানিক দুপুর একটায় বেলা শেষ ঘোষণা করলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ ও ক্রীড়া যুব কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তারপর সদলবলে গঙ্গাসাগরে তিন নম্বর রাস্তা থেকে সাগর পর্যন্ত ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান নামেন একাধিক  মন্ত্রীবর্গ, ছিলেন জনসাস্থ কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী, সুন্দরবন উন্নয়ন উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত মালিক, জেলাশাসক উল্কা নাথন, সুন্দরবন পুলিশ জেলার সুপার ভাস্কর মুখার্জি সহ একাধিক ব্যক্তি বর্গ।