১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

খবর সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে দুস্কৃতিদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক, ভাংচুর বাইক

মালদা, হরিশ্চন্দ্রপুর: সকালে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত রাঙ্গাইপুর এলাকায় খবর সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে মঙ্গল এলাকায় স্থানীয় দুষ্কৃতী বাবর আলি ওরফে বাবলু ও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী রাস্তা আটক করে প্রথমে মোবাইল ও বাইকের চাবি কেড়ে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিব খাঁন ও তার ক্যামেরা পার্সেন সাইরাজ ইসলামকে মারধোর করার পাশাপাশি নতুন টু টুয়েন্টি মোবাইল বাইক ভাংচুর করে বলে অভিযোগ।

এমনকি এই ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্যামেরা ম্যান চিৎকার চেঁচামেচি করলে তাদের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মারধর ও ভাংচুর চালায় অভিযুক্তরা।এই ঘটনার পর বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাঁচাতে চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদেরকেও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখাতে থাকে।এমতাবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে কোনো ভাবে প্রাণে বাঁচে ওই দুই সংবাদ প্রতিনিধি।

এই ঘটনার পর হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পাশাপাশি হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভাঙচুর হওয়া মোটর বাইক উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।এদিকে ঘটনার খবর চাউর হতেই ছড়িয়ে পড়ে জোর চাঞ্চল্য।সংবাদ মাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলেও।

সর্বাধিক পাঠিত

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খবর সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে দুস্কৃতিদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক, ভাংচুর বাইক

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

মালদা, হরিশ্চন্দ্রপুর: সকালে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত রাঙ্গাইপুর এলাকায় খবর সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে মঙ্গল এলাকায় স্থানীয় দুষ্কৃতী বাবর আলি ওরফে বাবলু ও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী রাস্তা আটক করে প্রথমে মোবাইল ও বাইকের চাবি কেড়ে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিব খাঁন ও তার ক্যামেরা পার্সেন সাইরাজ ইসলামকে মারধোর করার পাশাপাশি নতুন টু টুয়েন্টি মোবাইল বাইক ভাংচুর করে বলে অভিযোগ।

এমনকি এই ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্যামেরা ম্যান চিৎকার চেঁচামেচি করলে তাদের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মারধর ও ভাংচুর চালায় অভিযুক্তরা।এই ঘটনার পর বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাঁচাতে চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদেরকেও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখাতে থাকে।এমতাবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে কোনো ভাবে প্রাণে বাঁচে ওই দুই সংবাদ প্রতিনিধি।

এই ঘটনার পর হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পাশাপাশি হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভাঙচুর হওয়া মোটর বাইক উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।এদিকে ঘটনার খবর চাউর হতেই ছড়িয়ে পড়ে জোর চাঞ্চল্য।সংবাদ মাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলেও।