১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

দাসপুরে করোনার থাবা আরো একজনের, আক্রান্ত সেই যুবকের বাবা।

নিজস্ব সংবাদদাতা নতুন গতিঃ  পশ্চিম মেদিনীপুরের
দাসপুর 1 ব্লকের নিজামপুর গ্রামে গত 30 মার্চ মুম্বাই ফেরত যে যুবকের দেহে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মিলেছিল সেই যুবকের বাবার করোণা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গতকাল যে নয়টি রিপোর্ট পরীক্ষা হয়েছিল তারমধ্যে একটি করোনা পজেটিভ আর সেটি হলো আক্রান্ত যুবকের বাবা। গতকাল রিপোর্ট আসে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে। সঙ্গে সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আক্রান্তের পরিবারের সকলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও তাদের লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই যুবকের সংস্পর্শে কে কে এসেছে তাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। সূত্রের খবর, আক্রান্ত ওই যুবক টি বাবার সঙ্গে সোনামুই বাজারে শশা পাইকারি করতে গিয়েছিল। ফলে গোটা এলাকা ভয়ে কম্পমান । দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভূঁইয়া বলেন আক্রান্ত যুবকটি মুম্বাই থেকে আসার পরে জ্বর নিয়ে এলাকা ঘুরেছে বন্ধুদের সংস্পর্শে এসেছে।এমনকি বিভিন্ন চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়েছে।তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোটা দাসপুরে কে কে ওই যুবকের সংস্পর্শে এসেছে তার চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমগ্র এলাকা সিল করে দেয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে মেটানো হচ্ছে। এই ঘটনায় গোটা দাসপুরের আতঙ্কের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দাসপুরে করোনার থাবা আরো একজনের, আক্রান্ত সেই যুবকের বাবা।

আপডেট : ২ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা নতুন গতিঃ  পশ্চিম মেদিনীপুরের
দাসপুর 1 ব্লকের নিজামপুর গ্রামে গত 30 মার্চ মুম্বাই ফেরত যে যুবকের দেহে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মিলেছিল সেই যুবকের বাবার করোণা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গতকাল যে নয়টি রিপোর্ট পরীক্ষা হয়েছিল তারমধ্যে একটি করোনা পজেটিভ আর সেটি হলো আক্রান্ত যুবকের বাবা। গতকাল রিপোর্ট আসে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে। সঙ্গে সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আক্রান্তের পরিবারের সকলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও তাদের লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই যুবকের সংস্পর্শে কে কে এসেছে তাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। সূত্রের খবর, আক্রান্ত ওই যুবক টি বাবার সঙ্গে সোনামুই বাজারে শশা পাইকারি করতে গিয়েছিল। ফলে গোটা এলাকা ভয়ে কম্পমান । দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভূঁইয়া বলেন আক্রান্ত যুবকটি মুম্বাই থেকে আসার পরে জ্বর নিয়ে এলাকা ঘুরেছে বন্ধুদের সংস্পর্শে এসেছে।এমনকি বিভিন্ন চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়েছে।তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোটা দাসপুরে কে কে ওই যুবকের সংস্পর্শে এসেছে তার চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমগ্র এলাকা সিল করে দেয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে মেটানো হচ্ছে। এই ঘটনায় গোটা দাসপুরের আতঙ্কের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে।