১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

নিজের ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে গণপিটুনি

নিজস্ব সংবাদদাতা:   নিজের ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে গণপিটুনিতে গুরুতর জখম হলো বাবা সহ দুই বন্ধু। পুলিশ জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রতুয়া থানার বাবলাবোনা এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের নাম বাবা আব্দুল মালেক (‌২৩)‌, তাঁর দুই বন্ধু নিজাম আলি (‌২৩)‌ ও আব্দুল খালেক(‌২৩)‌। আহতদের বাড়ি ভূতনি থানার চম্পানগর এলাকায়। আহতেরা পেশায় দিনমজুর। শুক্রবার রাতে কাজের টাকা নিতে বাইকে করে রতুয়া থানার বাবলাবোনা এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানেই আবার আব্দুল মালেকের শ্বশুরবাড়ি। বিবাহবিচ্ছেদের পর আব্দুল মালেকের স্ত্রী তাঁর ছেলেকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে থাকেন। তাঁরা টাকা নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে একমাত্র নাবালক সন্তানকে ছিনিয়ে নিয়ে বাইকে করে পালাবার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে যায়। তারপর চলে গণপ্রহার। ওই সময় আক্রান্তদের বাঁচাতে গিয়ে গ্রামের এক বাসিন্দা দুলাল হোসেনও জখম হন। ঘটনার খবর পেয়ে রতুয়া থানার পুলিশ কোন স্থানে পৌঁছায়। এরপর গণপিটুনি হাত থেকে আহতদের উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। পুরো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিজের ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে গণপিটুনি

আপডেট : ১৩ অগাস্ট ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা:   নিজের ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে গণপিটুনিতে গুরুতর জখম হলো বাবা সহ দুই বন্ধু। পুলিশ জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রতুয়া থানার বাবলাবোনা এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের নাম বাবা আব্দুল মালেক (‌২৩)‌, তাঁর দুই বন্ধু নিজাম আলি (‌২৩)‌ ও আব্দুল খালেক(‌২৩)‌। আহতদের বাড়ি ভূতনি থানার চম্পানগর এলাকায়। আহতেরা পেশায় দিনমজুর। শুক্রবার রাতে কাজের টাকা নিতে বাইকে করে রতুয়া থানার বাবলাবোনা এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানেই আবার আব্দুল মালেকের শ্বশুরবাড়ি। বিবাহবিচ্ছেদের পর আব্দুল মালেকের স্ত্রী তাঁর ছেলেকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে থাকেন। তাঁরা টাকা নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে একমাত্র নাবালক সন্তানকে ছিনিয়ে নিয়ে বাইকে করে পালাবার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে যায়। তারপর চলে গণপ্রহার। ওই সময় আক্রান্তদের বাঁচাতে গিয়ে গ্রামের এক বাসিন্দা দুলাল হোসেনও জখম হন। ঘটনার খবর পেয়ে রতুয়া থানার পুলিশ কোন স্থানে পৌঁছায়। এরপর গণপিটুনি হাত থেকে আহতদের উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। পুরো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।