আনজুম মুনির: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিরকাল খুবই সরব। তিনি সব বিষয়েই নিজের অস্তিত্বের জানান দেন। কিন্তু সোমবার দিল্লিতে যে টানটান নাটক হলো তারপর মমতার কথা বন্ধ হয়ে গেছে। ইন্ডি জোটের সাংবাদিক বৈঠকে বললেন মাত্র দুটি শব্দ। সেই শব্দ দুটিও বলেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। এর বাইরে সোমবার নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ইন্ডি জোটের সাংবাদিক বৈঠকে কোনও কথা বললেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভাঙছে তৃণমূল। বিধানসভার পর লোকসভায়ও তৃণমূল এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে এবং এমন দিনে হয়েছে, যখন স্বয়ং মমতা দিল্লিতে রয়েছেন। এরই মধ্যে এদিন কনস্টিটিউশন ক্লাবে এদিন বৈঠকে বসেন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই দিল্লি এসেছেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ওই বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন ইন্ডি জোটের নেতারা। সেখানে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি খাড়্গের ডানদিকে বসেছিলেন মমতা। তাঁর পাশে অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা ও তেজস্বী যাদব। আর খাড়্গের বাম পাশে ছিলেন রাহুল গান্ধী।
এদিন কনস্টিটিউশন ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে খাড়্গের পাশে চুপ করে বসেছিলেন মমতা। প্রায় সাড়ে সাত মিনিটের সাংবাদিক বৈঠকে দুটি শব্দ বলেছেন মমতা। ‘অ্যাট্রোসিটি, ভার্চুয়ালি’। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে খাড়্গে ইন্ডি জোটের নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা বলছিলেন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “২৫টি দল এদিনের বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। ৫টি পয়েন্টে সবাই সম্মতি জানিয়েছে। প্রথমত, SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে শীঘ্রই চিঠি দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বর্তমান অর্থনীতি পরিস্থিতি, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষক ইস্যু ও অন্যান্য জনগণ সম্পর্কিত ইস্যুতে কেন্দ্রকে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি।”
নতুন গতি 
























