২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

‘ভন্ডামি করছেন মমতা’, মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে আঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অধীর চৌধুরীর

‘ভন্ডামি করছেন মমতা’, মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে আঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অধীর চৌধুরীর

নতুন গতি ডেস্ক: নন্দীগ্রামে গিয়ে পায়ে চোট পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কলকাতায় আনা হচ্ছে তৃণমূলনেত্রীকে। আজ নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল তাঁর। তাঁর অভিযোগ, চক্রান্ত করে ধাক্কা মারে চার-পাঁচজন। রেয়াপাড়ায় একটি মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তন চলছিল। সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। অভিযোগ, ৪-৫ জন তাঁকে ধাক্কা মারে। প্রচণ্ড ভিড় ছিল সেই সময়। তাঁর এই আঘাত নিয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রী যদি বলেন পুলিশ ছিলেন না তাহলে দুর্ভাগ্যের কথা। কারণ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তিনি তো পুলিশমন্ত্রীও বটে। পুলিশের মালিক তিনি। তাঁর উপর যখন হামলা হল ঠিক তখনই পুলিশ নেই। হামলাতে শুধুমাত্র তাঁর পায়েতেই লাগল। নন্দীগ্রামেই হল। সেখানে ভোটের প্রচারের জন্য আবেগ, সেন্টিমেন্ট তৈরি করতে হবে। মেয়েদের উপর হামলা হচ্ছে প্রমাণ করতে হবে। এগুলি নির্বাচনের এক একটা অঙ্গ বলে আমি মনে করি। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থাৎ বাংলার দিদি আর দেশের মোদি নাটক করতে একে অপরের পরিপূরক। তাই এইসব ভন্ডামিতে আমি বিশ্বাস করি না। এটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ভন্ডামি। রাজনৈতিকভাবে সেন্টিমেট তৈরি করতে চাইছেন।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘ভন্ডামি করছেন মমতা’, মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে আঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অধীর চৌধুরীর

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২১, বুধবার

‘ভন্ডামি করছেন মমতা’, মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে আঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অধীর চৌধুরীর

নতুন গতি ডেস্ক: নন্দীগ্রামে গিয়ে পায়ে চোট পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কলকাতায় আনা হচ্ছে তৃণমূলনেত্রীকে। আজ নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল তাঁর। তাঁর অভিযোগ, চক্রান্ত করে ধাক্কা মারে চার-পাঁচজন। রেয়াপাড়ায় একটি মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তন চলছিল। সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। অভিযোগ, ৪-৫ জন তাঁকে ধাক্কা মারে। প্রচণ্ড ভিড় ছিল সেই সময়। তাঁর এই আঘাত নিয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রী যদি বলেন পুলিশ ছিলেন না তাহলে দুর্ভাগ্যের কথা। কারণ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তিনি তো পুলিশমন্ত্রীও বটে। পুলিশের মালিক তিনি। তাঁর উপর যখন হামলা হল ঠিক তখনই পুলিশ নেই। হামলাতে শুধুমাত্র তাঁর পায়েতেই লাগল। নন্দীগ্রামেই হল। সেখানে ভোটের প্রচারের জন্য আবেগ, সেন্টিমেন্ট তৈরি করতে হবে। মেয়েদের উপর হামলা হচ্ছে প্রমাণ করতে হবে। এগুলি নির্বাচনের এক একটা অঙ্গ বলে আমি মনে করি। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থাৎ বাংলার দিদি আর দেশের মোদি নাটক করতে একে অপরের পরিপূরক। তাই এইসব ভন্ডামিতে আমি বিশ্বাস করি না। এটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ভন্ডামি। রাজনৈতিকভাবে সেন্টিমেট তৈরি করতে চাইছেন।”