৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মেদিনীপুরে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলির অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দিবস কর্মসূচি

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর : আবারও পথে নেমে বিভিন্ন দাবিতে প্রতিবাদে সামিল হলো বামপন্থী দল সমূহ ও গণসংগঠন গুলি। রবিবার সকালে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরুর দিনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দাবিতে গোটা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ ও বিভিন্ন গণসংগঠন গুলির যৌথ উদ্যোগে অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা ও “দেশ বাঁচাও” দিবস কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো মেদিনীপুর শহরের গান্ধী মুর্তির পাদদেশে।

 

যে সব দাবিকে সামনে রেখে এদিনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, সেগুলো হলো, অবিলম্বে করোনা প্রতিরোধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কর্তৃক
সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করা, রেল, কয়লা, খনি সহ অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ না করা, শ্রমআইন বদল না করা, করোনায় লকডাউনে কাজ হারানো সমস্ত শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কমপক্ষে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা, সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিক সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের সমস্ত শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা প্রদান, লক ডাউনকালীন সময়ে বিদ্যুৎ বিল না নেওয়া, শহর ও গ্রামে নূন্যতম ২০০ দিন কাজের ব্যবস্থা করা, করোনা ও আম্ফান ত্রাণে দলবাজী ও দুর্নীতি রোধ করা ইত্যাদি সহ আরও অন্যান্য দাবী এদিনের কর্মসূচি থেকে উত্থাপন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, কীর্তি দে বক্সী, মেঘনাদ ভূঞা, সুকুমার আচার্য, দিলীপ নায়েক প্রমুখ,প্রণব চক্রবর্তী,গঙ্গাধর বর্মণসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

চলছে হকার উচ্ছেদ ,বাড়ছে ক্ষোভ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেদিনীপুরে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলির অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দিবস কর্মসূচি

আপডেট : ৯ অগাস্ট ২০২০, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর : আবারও পথে নেমে বিভিন্ন দাবিতে প্রতিবাদে সামিল হলো বামপন্থী দল সমূহ ও গণসংগঠন গুলি। রবিবার সকালে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরুর দিনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দাবিতে গোটা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ ও বিভিন্ন গণসংগঠন গুলির যৌথ উদ্যোগে অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা ও “দেশ বাঁচাও” দিবস কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো মেদিনীপুর শহরের গান্ধী মুর্তির পাদদেশে।

 

যে সব দাবিকে সামনে রেখে এদিনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, সেগুলো হলো, অবিলম্বে করোনা প্রতিরোধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কর্তৃক
সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করা, রেল, কয়লা, খনি সহ অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ না করা, শ্রমআইন বদল না করা, করোনায় লকডাউনে কাজ হারানো সমস্ত শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কমপক্ষে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা, সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিক সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের সমস্ত শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা প্রদান, লক ডাউনকালীন সময়ে বিদ্যুৎ বিল না নেওয়া, শহর ও গ্রামে নূন্যতম ২০০ দিন কাজের ব্যবস্থা করা, করোনা ও আম্ফান ত্রাণে দলবাজী ও দুর্নীতি রোধ করা ইত্যাদি সহ আরও অন্যান্য দাবী এদিনের কর্মসূচি থেকে উত্থাপন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, কীর্তি দে বক্সী, মেঘনাদ ভূঞা, সুকুমার আচার্য, দিলীপ নায়েক প্রমুখ,প্রণব চক্রবর্তী,গঙ্গাধর বর্মণসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।