৩০ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
৩০ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

খাস কলকাতার হোমের অন্দরে টানা ১০ বছর ধরে নাবালিকাকে ধর্ষণ! হোমের মালিক-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা : রক্ষকই ভক্ষক! নিরাপদ আশ্রয়স্থলই অত্যাচারের খাসতালুক! খাস কলকাতার হোমের অন্দরে টানা ১০ বছর ধরে নাবালিকাকে ধর্ষণ। সেই অভিযোগে হোমের মালিক-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পাশাপাশি হরিদেবপুরের হোম থেকে অন্যান্য আবাসিকদের অন্য হোমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১০ বছর ধরে হোমে দুই নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ করা হচ্ছিল। শ্লীলতাহানি করা হচ্ছিল আরও এক নাবালিকাকে। হরিদেবপুরের হোমটি চালায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাদের মাধ্যমেই শিশু সুরক্ষা কমিশনে অভিযোগ জানায় তিন নাবালিকা। সেই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার রাতে হোমে অভিযান চালায় পুলিশ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, হোমের বাকি আবাসিকদের অন্য হোমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।এদিকে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ওই হোমের মালিক। বাকি দুজন হোমের প্রিন্সিপাল এবং রাঁধুনী। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে।

রাজনগরে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা দেহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাস কলকাতার হোমের অন্দরে টানা ১০ বছর ধরে নাবালিকাকে ধর্ষণ! হোমের মালিক-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

আপডেট : ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : রক্ষকই ভক্ষক! নিরাপদ আশ্রয়স্থলই অত্যাচারের খাসতালুক! খাস কলকাতার হোমের অন্দরে টানা ১০ বছর ধরে নাবালিকাকে ধর্ষণ। সেই অভিযোগে হোমের মালিক-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পাশাপাশি হরিদেবপুরের হোম থেকে অন্যান্য আবাসিকদের অন্য হোমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১০ বছর ধরে হোমে দুই নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ করা হচ্ছিল। শ্লীলতাহানি করা হচ্ছিল আরও এক নাবালিকাকে। হরিদেবপুরের হোমটি চালায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাদের মাধ্যমেই শিশু সুরক্ষা কমিশনে অভিযোগ জানায় তিন নাবালিকা। সেই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার রাতে হোমে অভিযান চালায় পুলিশ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, হোমের বাকি আবাসিকদের অন্য হোমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।এদিকে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ওই হোমের মালিক। বাকি দুজন হোমের প্রিন্সিপাল এবং রাঁধুনী। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে।