১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

দুই বছরে চারবার ভোট ইসরাইলে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আবার ভেঙে গেল ইসরাইলের পার্লামেন্ট। স্বভাবতই ফের ভেঙে গেল নেতানিয়াহুর সরকার। ফলে দু-বছরের মধ্যে দেশটিতে ৪বার পার্লামেন্ট হতে চলেছে। ২৩ মার্চে পুনরায় ভোট হবে। উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পার্লামেন্টে বাজেট পেশ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার। যে কারণে এবার পার্লামেন্ট ভেঙে গেল। সপ্তাহ দুয়েক আগে বিরোধী দলগুলো একজোট হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল এবং পাসও হয়েছিল। কিন্তু স্পিকার সেই অনাস্থা ভোট মেনে না নেওয়ায় এই ক’দিন সরকার টিকে ছিল। এই সময়ের মধ্যে নেতানিয়াহু জোড়াতালি দিয়ে সরকার টিকিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সবরকম চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তাই স্পিকারের সুপারিশে পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট রিউভন রিভলিন।

উল্লেখ্য, যে সরকার এতদিন চলছিল তাতে জোট শরিক ছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল বেনি গান্টজের নতুন দল ব্ল$ অ্যান্ড হোয়াইট পার্টি। কিন্তু শুরু থেকেই তাঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর বনিবনা হচ্ছিল না। তাই সরকারের জোট শরিক হয়েও অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় নীল-সাদা দলটি। যদিও দলটির সর্বোচ্চ নেতা বেনি গান্টজ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং বিকল্প প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন। আগামী বছর নভেম্বরে তাঁরই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিল। যদিও চলতিবছর এপ্রিলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও গান্টজের দল পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। তবুও ভোটের পর ক্ষমতার মোহে যুযুধান দুই দল মিলেমিশে মিলিজুলি সরকার গড়ে।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুই বছরে চারবার ভোট ইসরাইলে

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আবার ভেঙে গেল ইসরাইলের পার্লামেন্ট। স্বভাবতই ফের ভেঙে গেল নেতানিয়াহুর সরকার। ফলে দু-বছরের মধ্যে দেশটিতে ৪বার পার্লামেন্ট হতে চলেছে। ২৩ মার্চে পুনরায় ভোট হবে। উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পার্লামেন্টে বাজেট পেশ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার। যে কারণে এবার পার্লামেন্ট ভেঙে গেল। সপ্তাহ দুয়েক আগে বিরোধী দলগুলো একজোট হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল এবং পাসও হয়েছিল। কিন্তু স্পিকার সেই অনাস্থা ভোট মেনে না নেওয়ায় এই ক’দিন সরকার টিকে ছিল। এই সময়ের মধ্যে নেতানিয়াহু জোড়াতালি দিয়ে সরকার টিকিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সবরকম চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তাই স্পিকারের সুপারিশে পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট রিউভন রিভলিন।

উল্লেখ্য, যে সরকার এতদিন চলছিল তাতে জোট শরিক ছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল বেনি গান্টজের নতুন দল ব্ল$ অ্যান্ড হোয়াইট পার্টি। কিন্তু শুরু থেকেই তাঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর বনিবনা হচ্ছিল না। তাই সরকারের জোট শরিক হয়েও অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় নীল-সাদা দলটি। যদিও দলটির সর্বোচ্চ নেতা বেনি গান্টজ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং বিকল্প প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন। আগামী বছর নভেম্বরে তাঁরই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিল। যদিও চলতিবছর এপ্রিলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও গান্টজের দল পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। তবুও ভোটের পর ক্ষমতার মোহে যুযুধান দুই দল মিলেমিশে মিলিজুলি সরকার গড়ে।