১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

নির্বিচারে গো-বক হত্যা কেশপুরে, শিকারীদের ধরতে উড়লো ড্রোন

সেখ মহম্মদ ইমরান, কেশপুর:মাংসের লোভে নির্বিচারে গো- বক হত্যার ঘটনা গত বছর ঘটেছিল কেশপুর এলাকায়। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আবার না ঘটে সেইজন্য বুধবার কেশপুরের কলকলি, ট্যাবাগেরিয়া এলাকায় টহল দিলো বন দপ্তরের কর্মীরা। এছাড়াও এদিন বন দপ্তরের কর্মীরা ড্রোন ক্যামেরা এনে এলাকায় নজরদারি চালায়।

কেশপুর ব্লকের ট্যাবাগেরিয়া, কলকলি এলাকায় বক ধরার ফাঁদ পেতেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর পায় বন দপ্তরের কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বক শিকারীদের চিহ্নিতকরণ করতে ড্রোন ক্যামেরা ওড়াই বন দপ্তরের কর্মীরা। বনদপ্তরের কর্মীদের দেখে দৌড়ে কয়েকজন শিকারী ছুটে পালায় বলে জানা গেছে।

এলাকার বাসিন্দা সেখ লিয়াকত আলী বলেন, বর্ষার মৌসুমে একটু অসাধু লোক মাংসের লোভে বক হত্যার জন্য ফাঁদ পাতে। সেই জন্য বন দপ্তরের কর্মীরা এই এলাকার বক হত্যা না করার জন্য প্রচার চালায়।

আনন্দপুরের বীট অফিসার শীতল ভূঁঞা জানিয়েছেন,

“এই সময় জমিতে প্রচুর গো-বকের দেখা মিলে। ফাঁদ

পেতে ধরার চেষ্টা করে শিকারিরা। এর আগেও

সচেতনতার প্রচার চালানো হয়েছিল। এদিন ফের টহল

চলে। শিকারিদের ধরতে ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। কিন্তু

বৃষ্টি চলে আসায় তা ভেস্তে যায়। কিছু শিকারি দেখতে

পেয়ে পালিয়ে যায়। গো-বক ধরার ফাঁদ বাজেয়াপ্ত করা

হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত বছর এই সময়ে কয়েকজন অসাধু লোক গো-বক শিকার করেছিল। যা নিয়ে এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছিলো। এক জন ব্যক্তি গ্রেপ্তারও হয়েছিল।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নির্বিচারে গো-বক হত্যা কেশপুরে, শিকারীদের ধরতে উড়লো ড্রোন

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বুধবার

সেখ মহম্মদ ইমরান, কেশপুর:মাংসের লোভে নির্বিচারে গো- বক হত্যার ঘটনা গত বছর ঘটেছিল কেশপুর এলাকায়। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আবার না ঘটে সেইজন্য বুধবার কেশপুরের কলকলি, ট্যাবাগেরিয়া এলাকায় টহল দিলো বন দপ্তরের কর্মীরা। এছাড়াও এদিন বন দপ্তরের কর্মীরা ড্রোন ক্যামেরা এনে এলাকায় নজরদারি চালায়।

কেশপুর ব্লকের ট্যাবাগেরিয়া, কলকলি এলাকায় বক ধরার ফাঁদ পেতেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর পায় বন দপ্তরের কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বক শিকারীদের চিহ্নিতকরণ করতে ড্রোন ক্যামেরা ওড়াই বন দপ্তরের কর্মীরা। বনদপ্তরের কর্মীদের দেখে দৌড়ে কয়েকজন শিকারী ছুটে পালায় বলে জানা গেছে।

এলাকার বাসিন্দা সেখ লিয়াকত আলী বলেন, বর্ষার মৌসুমে একটু অসাধু লোক মাংসের লোভে বক হত্যার জন্য ফাঁদ পাতে। সেই জন্য বন দপ্তরের কর্মীরা এই এলাকার বক হত্যা না করার জন্য প্রচার চালায়।

আনন্দপুরের বীট অফিসার শীতল ভূঁঞা জানিয়েছেন,

“এই সময় জমিতে প্রচুর গো-বকের দেখা মিলে। ফাঁদ

পেতে ধরার চেষ্টা করে শিকারিরা। এর আগেও

সচেতনতার প্রচার চালানো হয়েছিল। এদিন ফের টহল

চলে। শিকারিদের ধরতে ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। কিন্তু

বৃষ্টি চলে আসায় তা ভেস্তে যায়। কিছু শিকারি দেখতে

পেয়ে পালিয়ে যায়। গো-বক ধরার ফাঁদ বাজেয়াপ্ত করা

হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত বছর এই সময়ে কয়েকজন অসাধু লোক গো-বক শিকার করেছিল। যা নিয়ে এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছিলো। এক জন ব্যক্তি গ্রেপ্তারও হয়েছিল।