১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বাঁকুড়ার পিড়রাবনি গ্রামে হাতি আতঙ্কের রেস কাটতে না কাটতেই গ্রামবাসীদের কাছে নতুন এক আতঙ্ক নেকড়ে বাঘ

নিজস্ব সংবাদদাতা : বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় থানার অন্তর্গত পিড়রাবনি গ্রাম। আর এই গ্রামে অবিরাম আসা-যাওয়া করে নিত্যনতুন হাতির দল। তবে বেশ কয়েকদিন আগে হাতির সাথে জোড়া নেকড়ে বাঘের উপস্থিতি এক আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল গোটা গ্রাম জুড়ে। বনদপ্তরের সুত্রে বলা হয়েছিল দুটি নেকড়ের মধ্যে একটি পুরুষ এবং অন্যটি মহিলা। বাঁকুড়ার পিড়রাবনি জঙ্গলের বনসংলগ্ন এলাকায় রয়েছে একাধিক মাটির বাড়ি। তারা ভূমিহীন তাই তারা আশ্রয় নিয়েছেন বনদপ্তরের জমিতে। এখানে তারা বসবাস করছেন পূর্বপুরুষদের আমল থেকে।তাদের এই বনসংলগ্ন এলাকায় অবিরাম আসা-যাওয়া করে নিত্যনতুন হাতির দল। হাতির দল এসে তান্ডব চালায় গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি গুলিতে। হাতির হাত থেকে মাটির বাড়ি এবং পালিত পশুদের বাঁচতে তাই কাটার বেড়া দিয়ে বেষ্টিত করে রেখেছেন মাটির বাড়ির উঠোন। তবে হাতি আতঙ্কের রেস কাটতে না কাটতেই গ্রামবাসীদের কাছে নতুন এক আতঙ্ক নেকড়ে বাঘ।যা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। ওই এলাকার বাসিন্দারা বলেন তাদের বসবাস করার মত জমি নেই। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই বনসংলগ্ন এলাকায় বসবাস করছেন। সব সময় যেন একটা আতঙ্ক গ্রাস করে তাদের। তাদের বারো মাস হাতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হয়। প্রতিনিয়ত হাতির দল আক্রমণ করে তাদের।কখনও বাড়িঘর ভেঙে দিয়ে চলে যায় আবার কখনও তাদের বাড়িতে থাকা প্রাণীদের উপর অকপটে অত্যাচার চালায় হাতির দল। তারপর তাদের নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়ালো এই নেকড়ে বাঘ। এইভাবেই প্রতিদিন প্রতিনিয়ত লড়াই করে বাঁচতে হয় বন সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করা গ্রামবাসীদের। তারাও চাই সরকার একবার মুখ তুলে তাকান তাদের দিকেও। তাহলে হয়তো এই কাতর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে তারাও।

সর্বাধিক পাঠিত

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঁকুড়ার পিড়রাবনি গ্রামে হাতি আতঙ্কের রেস কাটতে না কাটতেই গ্রামবাসীদের কাছে নতুন এক আতঙ্ক নেকড়ে বাঘ

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় থানার অন্তর্গত পিড়রাবনি গ্রাম। আর এই গ্রামে অবিরাম আসা-যাওয়া করে নিত্যনতুন হাতির দল। তবে বেশ কয়েকদিন আগে হাতির সাথে জোড়া নেকড়ে বাঘের উপস্থিতি এক আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল গোটা গ্রাম জুড়ে। বনদপ্তরের সুত্রে বলা হয়েছিল দুটি নেকড়ের মধ্যে একটি পুরুষ এবং অন্যটি মহিলা। বাঁকুড়ার পিড়রাবনি জঙ্গলের বনসংলগ্ন এলাকায় রয়েছে একাধিক মাটির বাড়ি। তারা ভূমিহীন তাই তারা আশ্রয় নিয়েছেন বনদপ্তরের জমিতে। এখানে তারা বসবাস করছেন পূর্বপুরুষদের আমল থেকে।তাদের এই বনসংলগ্ন এলাকায় অবিরাম আসা-যাওয়া করে নিত্যনতুন হাতির দল। হাতির দল এসে তান্ডব চালায় গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি গুলিতে। হাতির হাত থেকে মাটির বাড়ি এবং পালিত পশুদের বাঁচতে তাই কাটার বেড়া দিয়ে বেষ্টিত করে রেখেছেন মাটির বাড়ির উঠোন। তবে হাতি আতঙ্কের রেস কাটতে না কাটতেই গ্রামবাসীদের কাছে নতুন এক আতঙ্ক নেকড়ে বাঘ।যা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। ওই এলাকার বাসিন্দারা বলেন তাদের বসবাস করার মত জমি নেই। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই বনসংলগ্ন এলাকায় বসবাস করছেন। সব সময় যেন একটা আতঙ্ক গ্রাস করে তাদের। তাদের বারো মাস হাতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হয়। প্রতিনিয়ত হাতির দল আক্রমণ করে তাদের।কখনও বাড়িঘর ভেঙে দিয়ে চলে যায় আবার কখনও তাদের বাড়িতে থাকা প্রাণীদের উপর অকপটে অত্যাচার চালায় হাতির দল। তারপর তাদের নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়ালো এই নেকড়ে বাঘ। এইভাবেই প্রতিদিন প্রতিনিয়ত লড়াই করে বাঁচতে হয় বন সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করা গ্রামবাসীদের। তারাও চাই সরকার একবার মুখ তুলে তাকান তাদের দিকেও। তাহলে হয়তো এই কাতর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে তারাও।