২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চম্পাইনগরে, শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় করেছেন ভক্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:- শিবের নীলপুজো উপলক্ষে বুদবুদের কসবা এলাকার চম্পাইনগরে, শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় করেছেন ভক্তরা। দামোদর নদের পাশেই ওই শিব মন্দির চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দির নামেই পরিচিত। প্রতিবছরের মতো এবছরও চাঁদ সওদাগরের প্রতিষ্ঠিত শিবমন্দিরে শুরু হয়েছে শিবের গাজন। গাজন উৎসব উপলক্ষে মন্দির চত্বরে বসেছে মেলা। গাজন উৎসব চলবে রাতভর, সেই সঙ্গে চলবে মেলাও। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া মেলা ও গাজন চলবে পয়লা বৈশাখ পর্যন্ত।গত দু’বছর করোনা অবহে তেমন ভাবে গাজন ও নীল ষষ্ঠীর পুজো না হলেও এই বছর মহা ধুমধামে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষরা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্তের সমাগম হয়েছে এই বছর। মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, বহুকাল আগে চাঁদ সওদাগর এখানে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন এবং তিনি ছিলেন এক নিষ্ঠ শিবভক্ত। তিনি এখানে প্রতিষ্ঠা করেন শিব মন্দির। আর সেই সময় থেকেই বছরের পর বছর ধরে এখানে শিবের পুজো হয়ে আসছে। নীল ষষ্ঠীর দিন যেমন পুজো হয় তেমনই শিব রাত্রিতেও আয়োজন করা হয় পুজোর। এই নীল ষষ্ঠীর পুজো উপলক্ষ্যে তিন দিন ধরে মেলার আয়োজন করা হয়।শোনা যায়, এই মন্দিরের কথা মনসা মঙ্গল কাব্যে বর্ণিত আছে। যেখানে বেহুলা লখিন্দরের কাহিনীও রয়েছে। সেই সমস্ত কাহিনীর কিছু কিছু নিদর্শনের আজও দেখা মেলে। আর তা দেখার জন্য বহু মানুষ আজও চম্পাইনগরে আসেন ভ্রমণে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চম্পাইনগরে, শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় করেছেন ভক্তরা

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- শিবের নীলপুজো উপলক্ষে বুদবুদের কসবা এলাকার চম্পাইনগরে, শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢালতে ভিড় করেছেন ভক্তরা। দামোদর নদের পাশেই ওই শিব মন্দির চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দির নামেই পরিচিত। প্রতিবছরের মতো এবছরও চাঁদ সওদাগরের প্রতিষ্ঠিত শিবমন্দিরে শুরু হয়েছে শিবের গাজন। গাজন উৎসব উপলক্ষে মন্দির চত্বরে বসেছে মেলা। গাজন উৎসব চলবে রাতভর, সেই সঙ্গে চলবে মেলাও। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া মেলা ও গাজন চলবে পয়লা বৈশাখ পর্যন্ত।গত দু’বছর করোনা অবহে তেমন ভাবে গাজন ও নীল ষষ্ঠীর পুজো না হলেও এই বছর মহা ধুমধামে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষরা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্তের সমাগম হয়েছে এই বছর। মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, বহুকাল আগে চাঁদ সওদাগর এখানে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন এবং তিনি ছিলেন এক নিষ্ঠ শিবভক্ত। তিনি এখানে প্রতিষ্ঠা করেন শিব মন্দির। আর সেই সময় থেকেই বছরের পর বছর ধরে এখানে শিবের পুজো হয়ে আসছে। নীল ষষ্ঠীর দিন যেমন পুজো হয় তেমনই শিব রাত্রিতেও আয়োজন করা হয় পুজোর। এই নীল ষষ্ঠীর পুজো উপলক্ষ্যে তিন দিন ধরে মেলার আয়োজন করা হয়।শোনা যায়, এই মন্দিরের কথা মনসা মঙ্গল কাব্যে বর্ণিত আছে। যেখানে বেহুলা লখিন্দরের কাহিনীও রয়েছে। সেই সমস্ত কাহিনীর কিছু কিছু নিদর্শনের আজও দেখা মেলে। আর তা দেখার জন্য বহু মানুষ আজও চম্পাইনগরে আসেন ভ্রমণে।