০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

স্বামীকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজা পেল স্ত্রী ও প্রেমিক

নিজস্ব সংবাদদাতা; মালদা: প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশে স্বামীকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবণ কারাদন্ডে দন্ডিত হলেন স্ত্রী সহ প্রেমিক। আজ অ্যাডিশনাল সেশন চতুর্থ আদালতে এই রায় ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সরকারি আইনজীবী মহম্মদ ইকবাল আলম আফজা জানান, ২০১৬ সালের ১৫ অগাস্ট গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল পুরাতন মালদার ঘুমাদিঘি গুণগাঁও গ্রামে। ওইদিন খুন হন জানু রাজবংশী নামের এক ৩৫ বছরের যুবক। ওইদিন রাতেই ঘুমন্ত অবস্থায় মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করেন স্ত্রী আফিকা রাজবংশী ও তার প্রেমিক সঞ্জয় রাজবংশী। এরপর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায় মোটর সাইকেল সহ জানুর মৃতদেহ ফেলে আসা হয় জাতীয় সড়কের ধারে। পরদিন পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে একটি দুর্ঘটনার মামলা দায়ের করে। কিন্তু ময়নাতদন্তে উঠে আসে জানুকে খুন করা হয়েছে। এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। প্রকাশ্যে আসে অবৈব প্রেমের ঘটনা। প্রথমে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয়কে। পরে গ্রেফতার করা হয় স্ত্রী আফিকাকে।

তাদের বিরুদ্ধে ৩০২, ২০১, ৩৪ আইপিসি ধারায় শুরু হয় মামলা। দীর্ঘ তিন বছর পর ১৭ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্যদানের পর বুধবার সঞ্জয় ও আফিকাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক ভবানী শংকর শর্মা। আজ অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেন বিচারক।

সর্বাধিক পাঠিত

পর্বতারোহীদের মূত্র বিসর্জনে গলছে এভারেস্টের হিমবাহ: গবেষণা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বামীকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজা পেল স্ত্রী ও প্রেমিক

আপডেট : ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা; মালদা: প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশে স্বামীকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবণ কারাদন্ডে দন্ডিত হলেন স্ত্রী সহ প্রেমিক। আজ অ্যাডিশনাল সেশন চতুর্থ আদালতে এই রায় ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সরকারি আইনজীবী মহম্মদ ইকবাল আলম আফজা জানান, ২০১৬ সালের ১৫ অগাস্ট গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল পুরাতন মালদার ঘুমাদিঘি গুণগাঁও গ্রামে। ওইদিন খুন হন জানু রাজবংশী নামের এক ৩৫ বছরের যুবক। ওইদিন রাতেই ঘুমন্ত অবস্থায় মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করেন স্ত্রী আফিকা রাজবংশী ও তার প্রেমিক সঞ্জয় রাজবংশী। এরপর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায় মোটর সাইকেল সহ জানুর মৃতদেহ ফেলে আসা হয় জাতীয় সড়কের ধারে। পরদিন পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে একটি দুর্ঘটনার মামলা দায়ের করে। কিন্তু ময়নাতদন্তে উঠে আসে জানুকে খুন করা হয়েছে। এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। প্রকাশ্যে আসে অবৈব প্রেমের ঘটনা। প্রথমে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয়কে। পরে গ্রেফতার করা হয় স্ত্রী আফিকাকে।

তাদের বিরুদ্ধে ৩০২, ২০১, ৩৪ আইপিসি ধারায় শুরু হয় মামলা। দীর্ঘ তিন বছর পর ১৭ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্যদানের পর বুধবার সঞ্জয় ও আফিকাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক ভবানী শংকর শর্মা। আজ অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেন বিচারক।