২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

হাল ফিরলেও বিএমওএইচ এর অপসারণ চান স্থানীয়রা

আজিজুর রহমান, গলসি : পুরসা হাসপাতালের হাল ফেরাতে উদ্দ্যোগী জেলা স্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য। তবে বিএমওএইচ এর অপসারণের দাবীতে অনড় রইলেন স্থানীয়রা। কয়েকদিন আগে গলসির পুরসা হাসপাতালের বিএমওএইচ এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাবার পরই শুক্রবার হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্যর কর্মাধক্ষ্য বিশ্বনাথ রায়। বিগত দিনের পরিকাঠামো থেকে বর্তমান পরিকাঠামো দেখে তিনি যে খুশি নন তা তার ভঙ্গিতে স্পষ্ট। উল্লেখ্য, গলসি ১ নং ব্লকের পুরসা হাসপাতালে পরিকাঠামো নষ্ট করছেন বিএমওএইচ ডাক্তার পায়েল বিশ্বাস। এমনই লিখিত অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকার শতশত মানুষ বিএমওএইচ এর অপসারণ চেয়ে জেলা, ব্লক, তথা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।

শুক্রবার সন্ধায় পরিদর্শন সেরে বিশ্বনাথ বাবু বলেন, ভোটের সময় বিজেপি সরকার ওষুধ নিয়ে রাজনীতি করেছে। তাই একটু ওষুধ সমস্যা হয়েছিল। আসতে আসতে সব মিটে যাচ্ছে। আমি স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছি। আমরা বিএমওএইচ ম্যাডামকে পরিস্কার ভাবে বলেছি, সবার সাথে ভালো ব্যবহার করুন। পুরসা হাসপাতাল আমাদের জেলার গর্ব। আমাদের দিদিমনি এই হাসপাতালের জন্য বেশকিছু নতুন পরিকাঠামো তৈরী করে দিয়েছেন। সেগুলো ঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌছে দিন। অ্যাম্বুলেন্স পরিসেবা ঠিক করুন। ভরতপুর ও লোয়াতে সময়ে ডাক্তার পাঠান। স্টাফ, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। আমরা জেলা থেকে সব বিষয়ে নজর রাখবো। বিএমওএইচ এর অপসারণের প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য বলেন, এর সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যভবন নিয়ে থাকে। আমি অভিযোগের কপি স্বাস্থভবনে পাঠিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল জামাদার, সেখ স্বপনরা বলেন, বিশ্বনাথ বাবু পরিদর্শনে আসার সময় বিদ্যুৎ চলে গেল। খবর এল জেনেরেটারের তেল নেই। এখানেই প্রমানিত পরিকাঠামোর। দুধ আর জলের পার্থক্য চোখের সামনে। বাথরুমে লাইট নেই। পানীয় জলের মেশিন গুলো খারাপ। পায়েল ম্যাডাম আসার পর প্রসুতি মৃত্যু বেড়ে গেছে। সময়ে জেলা থেকে ওষুধ ইনজেকশন আনেন না। তাই ওষুধ ইনজেকশনের অমিল। নিজে কোনদিন আউটডোরে রোগী দেখেন না। মেডিকেল অফিসার থেকে স্টাফ দের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। আমরা সব বলেছি। সব কিছুর মান নিচে নেমে গেছে। আমরা অনেক বার বলেও পারিনি। তাই শেষমেশ তার বিরুদ্ধে গন স্বাক্ষর সংগ্রহ করে অপসারণ চেয়েছি। আমরা পায়েল বিশ্বাসের জায়গায় অন্য বিএমওএইচ চাইছি। দিলে ভালো না হলে আমরা দিনে গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে আন্দোলন করবো ও প্রয়োজনে হাসপাতালে ধর্না দেবো।

বিট অফিস সংলগ্ন স্টিল নেট অকেজো—যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাল ফিরলেও বিএমওএইচ এর অপসারণ চান স্থানীয়রা

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৪, শনিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : পুরসা হাসপাতালের হাল ফেরাতে উদ্দ্যোগী জেলা স্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য। তবে বিএমওএইচ এর অপসারণের দাবীতে অনড় রইলেন স্থানীয়রা। কয়েকদিন আগে গলসির পুরসা হাসপাতালের বিএমওএইচ এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাবার পরই শুক্রবার হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্যর কর্মাধক্ষ্য বিশ্বনাথ রায়। বিগত দিনের পরিকাঠামো থেকে বর্তমান পরিকাঠামো দেখে তিনি যে খুশি নন তা তার ভঙ্গিতে স্পষ্ট। উল্লেখ্য, গলসি ১ নং ব্লকের পুরসা হাসপাতালে পরিকাঠামো নষ্ট করছেন বিএমওএইচ ডাক্তার পায়েল বিশ্বাস। এমনই লিখিত অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকার শতশত মানুষ বিএমওএইচ এর অপসারণ চেয়ে জেলা, ব্লক, তথা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।

শুক্রবার সন্ধায় পরিদর্শন সেরে বিশ্বনাথ বাবু বলেন, ভোটের সময় বিজেপি সরকার ওষুধ নিয়ে রাজনীতি করেছে। তাই একটু ওষুধ সমস্যা হয়েছিল। আসতে আসতে সব মিটে যাচ্ছে। আমি স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছি। আমরা বিএমওএইচ ম্যাডামকে পরিস্কার ভাবে বলেছি, সবার সাথে ভালো ব্যবহার করুন। পুরসা হাসপাতাল আমাদের জেলার গর্ব। আমাদের দিদিমনি এই হাসপাতালের জন্য বেশকিছু নতুন পরিকাঠামো তৈরী করে দিয়েছেন। সেগুলো ঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌছে দিন। অ্যাম্বুলেন্স পরিসেবা ঠিক করুন। ভরতপুর ও লোয়াতে সময়ে ডাক্তার পাঠান। স্টাফ, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। আমরা জেলা থেকে সব বিষয়ে নজর রাখবো। বিএমওএইচ এর অপসারণের প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য বলেন, এর সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যভবন নিয়ে থাকে। আমি অভিযোগের কপি স্বাস্থভবনে পাঠিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল জামাদার, সেখ স্বপনরা বলেন, বিশ্বনাথ বাবু পরিদর্শনে আসার সময় বিদ্যুৎ চলে গেল। খবর এল জেনেরেটারের তেল নেই। এখানেই প্রমানিত পরিকাঠামোর। দুধ আর জলের পার্থক্য চোখের সামনে। বাথরুমে লাইট নেই। পানীয় জলের মেশিন গুলো খারাপ। পায়েল ম্যাডাম আসার পর প্রসুতি মৃত্যু বেড়ে গেছে। সময়ে জেলা থেকে ওষুধ ইনজেকশন আনেন না। তাই ওষুধ ইনজেকশনের অমিল। নিজে কোনদিন আউটডোরে রোগী দেখেন না। মেডিকেল অফিসার থেকে স্টাফ দের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। আমরা সব বলেছি। সব কিছুর মান নিচে নেমে গেছে। আমরা অনেক বার বলেও পারিনি। তাই শেষমেশ তার বিরুদ্ধে গন স্বাক্ষর সংগ্রহ করে অপসারণ চেয়েছি। আমরা পায়েল বিশ্বাসের জায়গায় অন্য বিএমওএইচ চাইছি। দিলে ভালো না হলে আমরা দিনে গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে আন্দোলন করবো ও প্রয়োজনে হাসপাতালে ধর্না দেবো।