২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

“তৃণমূলে ফিরতে চান শুভেন্দু”: কুনাল ঘোষের মন্তব্যে শোরগোল

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন শুভেন্দু” বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।

বিজেপির পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্য সম্পাদক। তাঁর বক্তব্য “বিজেপিতে দমবন্ধ হয়ে আসছে শুভেন্দুর। কাঁথি পুরসভায় অধিকারী পরিবারকে সাইনবোর্ড করে দিয়েছে বিজেপি। তাই এবার তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন শুভেন্দু।”

তিনি আরো জানান “সবাই জানেন, বিজেপিকে ভালবেসে দলবদল করেননি শুভেন্দু। গিয়েছিলেন ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে। ওখানে এখন দমবন্ধ হয়ে আসছে তাঁর। তাই এখানে ফিরতে চাইছেন।”

সাথে এটাও স্পষ্ট করে দেন “ফিরতে চাইলেও ফেরানো হবে না।”

কাঁথি পুরভোটে অধিকারী পরিবারের একজনও টিকিট পাননি। রাজনৈতিক মহল বলছে, আদি বিজেপির চাপেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। কুণাল ঘোষও সেকথা বললেন এদিন। তাঁর কথায় “তৃণমূলে থাকতে অধিকারী পরিবারের লোকজন মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়ক ছিলেন। পুরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন অধিকারী পরিবারের সদস্য। কিন্তু এবার আদি বিজেপির চাপে কাঁথি পুরসভায় অধিকারী পরিবার সাইনবোর্ড হয়ে গিয়েছে।”

শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী দলনেতা পদ নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। বলেন, “কে বিরোধী দলনেতা, সেটা নিয়ে বিজেপিতে এখন লড়াই চলছে। লোডশেডিংয়ে জেতা বিধায়ক নাকি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা শান্তনু ঠাকুর। তাই এখন তৃণমূলের দরজায় ঠকঠক করছেন শুভেন্দু। বিজেপিতে থাকা শুভেন্দুর বাধ্যবাধকতা মাত্র।” সবমিলিয়ে এদিন কুণাল ঘোষের দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

 

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“তৃণমূলে ফিরতে চান শুভেন্দু”: কুনাল ঘোষের মন্তব্যে শোরগোল

আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন শুভেন্দু” বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।

বিজেপির পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্য সম্পাদক। তাঁর বক্তব্য “বিজেপিতে দমবন্ধ হয়ে আসছে শুভেন্দুর। কাঁথি পুরসভায় অধিকারী পরিবারকে সাইনবোর্ড করে দিয়েছে বিজেপি। তাই এবার তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন শুভেন্দু।”

তিনি আরো জানান “সবাই জানেন, বিজেপিকে ভালবেসে দলবদল করেননি শুভেন্দু। গিয়েছিলেন ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে। ওখানে এখন দমবন্ধ হয়ে আসছে তাঁর। তাই এখানে ফিরতে চাইছেন।”

সাথে এটাও স্পষ্ট করে দেন “ফিরতে চাইলেও ফেরানো হবে না।”

কাঁথি পুরভোটে অধিকারী পরিবারের একজনও টিকিট পাননি। রাজনৈতিক মহল বলছে, আদি বিজেপির চাপেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। কুণাল ঘোষও সেকথা বললেন এদিন। তাঁর কথায় “তৃণমূলে থাকতে অধিকারী পরিবারের লোকজন মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়ক ছিলেন। পুরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন অধিকারী পরিবারের সদস্য। কিন্তু এবার আদি বিজেপির চাপে কাঁথি পুরসভায় অধিকারী পরিবার সাইনবোর্ড হয়ে গিয়েছে।”

শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী দলনেতা পদ নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। বলেন, “কে বিরোধী দলনেতা, সেটা নিয়ে বিজেপিতে এখন লড়াই চলছে। লোডশেডিংয়ে জেতা বিধায়ক নাকি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা শান্তনু ঠাকুর। তাই এখন তৃণমূলের দরজায় ঠকঠক করছেন শুভেন্দু। বিজেপিতে থাকা শুভেন্দুর বাধ্যবাধকতা মাত্র।” সবমিলিয়ে এদিন কুণাল ঘোষের দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।