৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ফুরফুরা শরীফ ঐতিহাসিক ঈসালে সাওয়াবে পীরজাদা নাজিমুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করতে এলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক

নিজস্ব সংবাদদাতা  : ভারতের অন্যতম বৃহত্তম তীর্থক্ষেত্র ফুরফুরা শরীফের তিনদিন ধরে চলা ঐতিহাসিক ঈসালে সা‌ওয়াবের শেষ দিনে ঠাসা ভিড়ে পাইলট কার থেকে নেমে বাইকে চড়েই এলেন পীরজাদা সৈয়দ নাজিমুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করতে! ফুরফুরা শরীফের উন্নয়ন ও রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে দুজনের মধ্যে।

আইন মন্ত্রী বলেন, ফুরফুরা শরীফে আমি দীর্ঘদিন ধরে আসছি। এবারেও এলাম নাজিমুদ্দিন ভাইয়ের কাছে। দোয়া আশির্বাদ নিলাম। খুব ভালো লাগলো আমাকে। প্রচুর ভিড় প্রায় দু- কিলোমিটার পথ বাইকে আসতে হল।
এখানে প্রচুর মানুষ আসেন। আমরা সবসময় চাই ফুরফুরা শরীফের আরও উন্নতি হোক। এখানকার মানুষ কোনো অসুবিধায় না পারে সেটা দেখবো। কিভাবে আরো কাজ করা যায় সে বিষয়ে কথা বললাম পীরজাদা নাজিমুদ্দিন ভাইয়ের সাথে। উনি কিছু কাজের কথা বললেন, আমরা চেষ্টা করবো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলো পুরণ করার।

পীরজাদা সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বলেন, মলয় বাবু আমার কাছে এসেছেন আমি খুব খুশি। আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অসুস্থ অবস্থায় এসেছেন। দোয়া আশির্বাদ করলাম।
সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরলাম। সেই সঙ্গে ফুরফুরা শরীফের কিছু কাজ করার জন্য আবেদন জানালাম।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফুরফুরা শরীফ ঐতিহাসিক ঈসালে সাওয়াবে পীরজাদা নাজিমুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করতে এলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৪, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা  : ভারতের অন্যতম বৃহত্তম তীর্থক্ষেত্র ফুরফুরা শরীফের তিনদিন ধরে চলা ঐতিহাসিক ঈসালে সা‌ওয়াবের শেষ দিনে ঠাসা ভিড়ে পাইলট কার থেকে নেমে বাইকে চড়েই এলেন পীরজাদা সৈয়দ নাজিমুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করতে! ফুরফুরা শরীফের উন্নয়ন ও রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে দুজনের মধ্যে।

আইন মন্ত্রী বলেন, ফুরফুরা শরীফে আমি দীর্ঘদিন ধরে আসছি। এবারেও এলাম নাজিমুদ্দিন ভাইয়ের কাছে। দোয়া আশির্বাদ নিলাম। খুব ভালো লাগলো আমাকে। প্রচুর ভিড় প্রায় দু- কিলোমিটার পথ বাইকে আসতে হল।
এখানে প্রচুর মানুষ আসেন। আমরা সবসময় চাই ফুরফুরা শরীফের আরও উন্নতি হোক। এখানকার মানুষ কোনো অসুবিধায় না পারে সেটা দেখবো। কিভাবে আরো কাজ করা যায় সে বিষয়ে কথা বললাম পীরজাদা নাজিমুদ্দিন ভাইয়ের সাথে। উনি কিছু কাজের কথা বললেন, আমরা চেষ্টা করবো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলো পুরণ করার।

পীরজাদা সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বলেন, মলয় বাবু আমার কাছে এসেছেন আমি খুব খুশি। আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অসুস্থ অবস্থায় এসেছেন। দোয়া আশির্বাদ করলাম।
সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরলাম। সেই সঙ্গে ফুরফুরা শরীফের কিছু কাজ করার জন্য আবেদন জানালাম।