০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

দুবরাজপুরের পদুমা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

খান আরশাদ, বীরভূম:

বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের পদুমা পঞ্চায়েত এলাকার বোধগ্রামের শেখ মুজিবুর (৫৯) ওরফে মুঙ্গলার ডেরা থেকে একটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পাইপগান এবং এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুবরাজপুর থানার ওসি অমিত প্রামাণিকের নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিক বিক্রমজিৎ কোনার, রবি চৌধুরী ও বিশাল পুলিশবাহিনী একটি গভীর নলকূপের পাম্পঘরে অভিযান চালায়। সেখানে তল্লাশি চালাতেই একটি খাটের নিচে সতর্কতার সঙ্গে লুকিয়ে রাখা কার্তুজভর্তি পাইপগানটির হদিস মেলে। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগেও ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। কী উদ্দেশ্যে সে এই আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

পরবর্তীতে ধৃতকে দুবরাজপুর আদালতে হাজির করা হলে সরকারি আইনজীবী রাজেন্দ্র প্রসাদ দে জানান যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার শুনানির পর বিচারক শিউলি রায় জামিনের আর্জি নাকচ করে দিয়ে ধৃতকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

পাকিস্তানের রেকর্ডের সমকক্ষ জার্মানি: পুরুষদের হকি বিশ্বকাপ বিজয়ীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুবরাজপুরের পদুমা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার

খান আরশাদ, বীরভূম:

বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের পদুমা পঞ্চায়েত এলাকার বোধগ্রামের শেখ মুজিবুর (৫৯) ওরফে মুঙ্গলার ডেরা থেকে একটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পাইপগান এবং এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুবরাজপুর থানার ওসি অমিত প্রামাণিকের নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিক বিক্রমজিৎ কোনার, রবি চৌধুরী ও বিশাল পুলিশবাহিনী একটি গভীর নলকূপের পাম্পঘরে অভিযান চালায়। সেখানে তল্লাশি চালাতেই একটি খাটের নিচে সতর্কতার সঙ্গে লুকিয়ে রাখা কার্তুজভর্তি পাইপগানটির হদিস মেলে। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগেও ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। কী উদ্দেশ্যে সে এই আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

পরবর্তীতে ধৃতকে দুবরাজপুর আদালতে হাজির করা হলে সরকারি আইনজীবী রাজেন্দ্র প্রসাদ দে জানান যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার শুনানির পর বিচারক শিউলি রায় জামিনের আর্জি নাকচ করে দিয়ে ধৃতকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।