১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে দাঙ্গার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল

নিজস্ব সংবাদদাতা : ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে দাঙ্গার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে আরও ৪৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে মোট মৃতের সংখ্যা হল ১৭৪। এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় তৎক্ষণাৎ ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। বাকিদের কারও হাসপাতালে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। কারও মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন। ইস্ট জাভা পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল নিকো আফিনতা এই কথা জানিয়েছেন।ইন্দোনেশিয়া সরকার এই ঘটনার জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। সে দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী জাইনুদিন আমালি বলেছেন, ‘‘ঠিক যখন সমর্থকরা আবার মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। এর জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। এই ঘটনায় আমাদের দেশের ফুটবল আহত হল।’’ভবিষ্যতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন আমালি। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ম্যাচ আয়োজনের যাবতীয় ব্যাপার আমরা খুঁটিয়ে দেখব। এমনকী এর পর মাঠে দর্শকদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেটাও আমরা ভেবে দেখব। হয়তো ভবিষ্যতে ফাঁকা স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করতে হতে পারে।’’
ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা পিএসএসআই আগামী এক সপ্তাহ লিগের সব খেলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাকি মরশুমে আরেমা এফসি-কে তাদের নিজেদের মাঠে আর ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হবে না।ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল লিগে শনিবার জাভার দুই ক্লাব আরেমা এবং পার্সিবায়া সুরাবায়ার মধ্যে খেলা ছিল। পূর্ব জাভার মালাং রিজেন্সিতে এই ম্যাচে আরেমা ২-৩ ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরেই দু’দলের সমর্থকরা কার্যত দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়েন।
আরেমা হেরে যাওয়ার পরেই তাদের সমর্থকেরা হুড়মুড়িয়ে মাঠে ঢুকে পড়েন। তখনই ঝামেলা শুরু হয়। পার্সিবায়ার ফুটবলাররা বিপদ বুঝে একটুও সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছেড়ে সাজঘরে চলে যান। কিন্তু আরেমার বেশ কয়েক জন ফুটবলার মাঠ ছাড়তে পারেননি। তাঁদের উপরেও হামলা হয়। সমস্যা বাড়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে শুরু করলে। কানজুরুহান স্টেডিয়ামের ভিড়ে ঠাসা গ্যালারিতে তখনই আতঙ্ক ছড়ায়। স্টেডিয়াম থেকে বেরোনোর জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যায়। তাতেই পদপিষ্ট হয়ে এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে দাঙ্গার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল

আপডেট : ৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে দাঙ্গার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে আরও ৪৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে মোট মৃতের সংখ্যা হল ১৭৪। এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় তৎক্ষণাৎ ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। বাকিদের কারও হাসপাতালে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। কারও মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন। ইস্ট জাভা পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল নিকো আফিনতা এই কথা জানিয়েছেন।ইন্দোনেশিয়া সরকার এই ঘটনার জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। সে দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী জাইনুদিন আমালি বলেছেন, ‘‘ঠিক যখন সমর্থকরা আবার মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। এর জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। এই ঘটনায় আমাদের দেশের ফুটবল আহত হল।’’ভবিষ্যতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন আমালি। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ম্যাচ আয়োজনের যাবতীয় ব্যাপার আমরা খুঁটিয়ে দেখব। এমনকী এর পর মাঠে দর্শকদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেটাও আমরা ভেবে দেখব। হয়তো ভবিষ্যতে ফাঁকা স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করতে হতে পারে।’’
ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা পিএসএসআই আগামী এক সপ্তাহ লিগের সব খেলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাকি মরশুমে আরেমা এফসি-কে তাদের নিজেদের মাঠে আর ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হবে না।ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল লিগে শনিবার জাভার দুই ক্লাব আরেমা এবং পার্সিবায়া সুরাবায়ার মধ্যে খেলা ছিল। পূর্ব জাভার মালাং রিজেন্সিতে এই ম্যাচে আরেমা ২-৩ ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরেই দু’দলের সমর্থকরা কার্যত দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়েন।
আরেমা হেরে যাওয়ার পরেই তাদের সমর্থকেরা হুড়মুড়িয়ে মাঠে ঢুকে পড়েন। তখনই ঝামেলা শুরু হয়। পার্সিবায়ার ফুটবলাররা বিপদ বুঝে একটুও সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছেড়ে সাজঘরে চলে যান। কিন্তু আরেমার বেশ কয়েক জন ফুটবলার মাঠ ছাড়তে পারেননি। তাঁদের উপরেও হামলা হয়। সমস্যা বাড়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে শুরু করলে। কানজুরুহান স্টেডিয়ামের ভিড়ে ঠাসা গ্যালারিতে তখনই আতঙ্ক ছড়ায়। স্টেডিয়াম থেকে বেরোনোর জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যায়। তাতেই পদপিষ্ট হয়ে এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়।