১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারল না ইচ্ছা শক্তির কাছে

নিজস্ব সংবাদদাতা :অসুস্থতা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারল না ইচ্ছা শক্তির কাছে। অদম্য আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছা শক্তিকে সাথে নিয়ে পরিশ্রমকে সঙ্গী করে মাধ্যমিক গতকাল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন ধুপগুড়ি উচ্চতর বিদ্যালয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘন্টা পরে তিনি অসুস্থ বোধ করেন। সাথে সাথে সচেতনতার সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন উচ্চতর বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ধুপগুড়ি থানার পুলিশরা তড়িঘড়ি করে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলেন। ধুপগুড়ি হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় একটু সুস্থ বোধ করলে বাকি পরীক্ষাটা হাসপাতালেই দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। তৎক্ষণাৎ ধুপগুড়ি হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যj কেন্দ্রেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার বন্দোবস্ত করেন। গতকাল থেকে সারারাত হাসপাতালে কাটার পর ধুপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে আজ ইংরেজি পরীক্ষা দিচ্ছেন মৌসুমী রায়। সে আশাবাদী ভালই পরিক্ষা দেবে। এবং ভবিষ্যতে দাড়িয়ে বাবা মায়ের অবলম্বন হবে সে। পড়তে সে প্রচণ্ড ভালোবাসে। আর বড় হয়ে সে একজন শিক্ষিকা হতে চায়। কারন শিক্ষাদান একটা জীবনের আলাদা অধ্যায় বলে ধারনা তার। বই পড়তে এবং খেলা দেখতে সে প্রচণ্ড ভালোবাসে বলে জানিয়েছে সে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারল না ইচ্ছা শক্তির কাছে

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :অসুস্থতা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারল না ইচ্ছা শক্তির কাছে। অদম্য আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছা শক্তিকে সাথে নিয়ে পরিশ্রমকে সঙ্গী করে মাধ্যমিক গতকাল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন ধুপগুড়ি উচ্চতর বিদ্যালয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘন্টা পরে তিনি অসুস্থ বোধ করেন। সাথে সাথে সচেতনতার সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন উচ্চতর বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ধুপগুড়ি থানার পুলিশরা তড়িঘড়ি করে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলেন। ধুপগুড়ি হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় একটু সুস্থ বোধ করলে বাকি পরীক্ষাটা হাসপাতালেই দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। তৎক্ষণাৎ ধুপগুড়ি হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যj কেন্দ্রেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার বন্দোবস্ত করেন। গতকাল থেকে সারারাত হাসপাতালে কাটার পর ধুপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে আজ ইংরেজি পরীক্ষা দিচ্ছেন মৌসুমী রায়। সে আশাবাদী ভালই পরিক্ষা দেবে। এবং ভবিষ্যতে দাড়িয়ে বাবা মায়ের অবলম্বন হবে সে। পড়তে সে প্রচণ্ড ভালোবাসে। আর বড় হয়ে সে একজন শিক্ষিকা হতে চায়। কারন শিক্ষাদান একটা জীবনের আলাদা অধ্যায় বলে ধারনা তার। বই পড়তে এবং খেলা দেখতে সে প্রচণ্ড ভালোবাসে বলে জানিয়েছে সে।