২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

“গীতা সব কিছুর ঊর্ধ্বে” বিতর্ক উসকে দিলেন কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ

দেবজিৎ মুখার্জি: “গীতা সব কিছুর ঊর্ধ্বে, গীতার সঙ্গে বাইবেলকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক না” বিতর্ক উসকে দিলেন কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ। বেঙ্গালুরুর ক্লারেন্স হাইস্কুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঘিরে এই মন্তব্য করেন নাগেশ।

নাগেশ বলেন “বাইবেল ও কোরান ধর্মীয় গ্রন্থ। ভগবত গীতাকে এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। ভগবত গীতা ধর্মীয় গ্রন্থ নয়। এটি কেবল ধর্মীয় আচারের কথা বলে না। প্রার্থনা কীভাবে করতে হয়, সে সব বলা নেই এখানে। এই বই এসবের অনেক ঊর্ধ্বে। ফলে বাইবেল ও কোরানকে স্কুলে পড়ানো যাবে না। আমরা পড়ুয়াদের নৈতিক বিজ্ঞানের পাঠক্রমে এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছি, যা তাদের নৈতিক বোধকে উন্নত করবে।”

উল্লেখ্য, হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি অভিযোগ করে, স্কুলটি সব ছাত্রদের উপরেই বাইবেল চাপিয়ে দিচ্ছে। পড়ুয়াদের স্কুলে বাইবেল নিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিষয়ে অভিভাবকদের অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করতেও বলা হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হওয়ার পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষ বিবৃতি দেয়, “তাদের স্কুলের একটি নীতির বিরুদ্ধে কেউ কেউ আপত্তি করেছে। তারা আইন মেনে চলবেন। দেশের আইন ভঙ্গ করবেন না।” মঙ্গলবারই রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছিল স্কুলটিকে। অন্যদিকে ন্যাশানাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসও এই বিষয়ে তদন্তের দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, ছাত্রদের উপর বাইবেল চাপিয়ে দিয়ে সংবিধানের ২৫ নং ধারা লংঘন করেছে স্কুল। তারাও স্কুলটির থেকে সাত দিনের মধ্যে সন্তোষজনক উত্তর চেয়েছে।

রাজনগরে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা দেহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“গীতা সব কিছুর ঊর্ধ্বে” বিতর্ক উসকে দিলেন কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: “গীতা সব কিছুর ঊর্ধ্বে, গীতার সঙ্গে বাইবেলকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক না” বিতর্ক উসকে দিলেন কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ। বেঙ্গালুরুর ক্লারেন্স হাইস্কুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঘিরে এই মন্তব্য করেন নাগেশ।

নাগেশ বলেন “বাইবেল ও কোরান ধর্মীয় গ্রন্থ। ভগবত গীতাকে এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। ভগবত গীতা ধর্মীয় গ্রন্থ নয়। এটি কেবল ধর্মীয় আচারের কথা বলে না। প্রার্থনা কীভাবে করতে হয়, সে সব বলা নেই এখানে। এই বই এসবের অনেক ঊর্ধ্বে। ফলে বাইবেল ও কোরানকে স্কুলে পড়ানো যাবে না। আমরা পড়ুয়াদের নৈতিক বিজ্ঞানের পাঠক্রমে এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছি, যা তাদের নৈতিক বোধকে উন্নত করবে।”

উল্লেখ্য, হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি অভিযোগ করে, স্কুলটি সব ছাত্রদের উপরেই বাইবেল চাপিয়ে দিচ্ছে। পড়ুয়াদের স্কুলে বাইবেল নিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিষয়ে অভিভাবকদের অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করতেও বলা হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হওয়ার পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষ বিবৃতি দেয়, “তাদের স্কুলের একটি নীতির বিরুদ্ধে কেউ কেউ আপত্তি করেছে। তারা আইন মেনে চলবেন। দেশের আইন ভঙ্গ করবেন না।” মঙ্গলবারই রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছিল স্কুলটিকে। অন্যদিকে ন্যাশানাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসও এই বিষয়ে তদন্তের দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, ছাত্রদের উপর বাইবেল চাপিয়ে দিয়ে সংবিধানের ২৫ নং ধারা লংঘন করেছে স্কুল। তারাও স্কুলটির থেকে সাত দিনের মধ্যে সন্তোষজনক উত্তর চেয়েছে।