১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

আতঙ্কের অবসান, পরিত্যক্ত লাল স্যুটকেস থেকে মিলল জামা কাপড়

আলিপুরদুয়ার: অবশেষে আতঙ্কের অবসান। পরিত্যক্ত লাল স্যুটকেস থেকে মিলল জামা কাপড়। রবিবার দুপুরে বোমাতঙ্ক ছড়ায় শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে। আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের কামরায় বোমাতঙ্ক ছড়াল।

রবিবার দুপুরে ট্রেনটি শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে ঢোকার পরই পরিত্যক্ত একটি লাল সুটকেস ঘিরে তৈরি হয় বোমাতঙ্ক। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় আরপিএফ, জিআরপি, বম্ব স্কোয়াড। বাকি ট্রেন থেকে ঐ বগিটি বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা চালায় রেল পুলিশ।

রেল পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার দুপুর ১টা নাগাদ শিলিগুড়ি জংশনে ঢোকে আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি প্যাসেঞ্জার। যাত্রীরা সকলে এখানেই নেমে যান। এরপর ট্রেনটি সাফাই করতে গিয়ে কর্মীদের চোখে পড়ে, D3 বগির একটি সিটের নিচে রয়েছে একটি লাল সুটকেস। কামরায় আর কোথাও কোনও সামগ্রী নেই।

ফলে স্বভাবতই এই সুটকেস ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাঠানো হয় রেল পুলিশে। সঙ্গে সঙ্গে স্টেশনে পৌঁছয় জিআরপি, বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা। শুরু হয় পরীক্ষা। D3 বগিটিকে গোটা ট্রেন থেকে আলাদা করে দেওয়া হয় প্রথমে। তারপর তা কারশেডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর ওই বগিতে শুরু হয় পরীক্ষা তারপরেই পাওয়া যায় ব্যাগ।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আতঙ্কের অবসান, পরিত্যক্ত লাল স্যুটকেস থেকে মিলল জামা কাপড়

আপডেট : ২৫ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

আলিপুরদুয়ার: অবশেষে আতঙ্কের অবসান। পরিত্যক্ত লাল স্যুটকেস থেকে মিলল জামা কাপড়। রবিবার দুপুরে বোমাতঙ্ক ছড়ায় শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে। আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের কামরায় বোমাতঙ্ক ছড়াল।

রবিবার দুপুরে ট্রেনটি শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে ঢোকার পরই পরিত্যক্ত একটি লাল সুটকেস ঘিরে তৈরি হয় বোমাতঙ্ক। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় আরপিএফ, জিআরপি, বম্ব স্কোয়াড। বাকি ট্রেন থেকে ঐ বগিটি বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা চালায় রেল পুলিশ।

রেল পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার দুপুর ১টা নাগাদ শিলিগুড়ি জংশনে ঢোকে আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি প্যাসেঞ্জার। যাত্রীরা সকলে এখানেই নেমে যান। এরপর ট্রেনটি সাফাই করতে গিয়ে কর্মীদের চোখে পড়ে, D3 বগির একটি সিটের নিচে রয়েছে একটি লাল সুটকেস। কামরায় আর কোথাও কোনও সামগ্রী নেই।

ফলে স্বভাবতই এই সুটকেস ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাঠানো হয় রেল পুলিশে। সঙ্গে সঙ্গে স্টেশনে পৌঁছয় জিআরপি, বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা। শুরু হয় পরীক্ষা। D3 বগিটিকে গোটা ট্রেন থেকে আলাদা করে দেওয়া হয় প্রথমে। তারপর তা কারশেডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর ওই বগিতে শুরু হয় পরীক্ষা তারপরেই পাওয়া যায় ব্যাগ।