১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

Call of Duty থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইউক্রেন রওনা ব্রিটিশ কিশোরের

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ‘কল অফ ডিউটি’ গেম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইউক্রেনের উদ্দেশে রওনা দিলো ব্রিটিশ কিশোর জেমি। জানা গেছে, চলতি মাসের ৬ তারিখ চাইল্ড পাসপোর্ট সহ রওনা দেয় জেমি।

জেমির মা জানান “জেমির কোনও মিলিটারি অভিজ্ঞতা নেই। সে সেনা ক্যাডেটে গিয়েছিল। কিন্তু তখন তার বয়স খুবই কম ছিল। সে কখনই রাইফেল বা এই ধরনের কোনও অস্ত্র ব্যবহার করেনি।”

উনি আরো জানিয়েছেন “রাশিয়া যে ধরনের সেনা অভিযান করেছে তাতে ক্ষুব্ধ জেমি। এবং ‘কল অফ ডিউটি’ তে তার ভালোবাসা রয়েছে। সেখান থেকেই যুদ্ধের যাবতীয় খুঁটিনাটি শিখেছে।”

জেমির পরিজনরা এখন খুবই চিন্তিত। কারণ ইউক্রেনের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জেমির শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেমির পরিজনরা।

এবিষয়ে জেমির মা বলেন “প্রত্যেকদিন আমরা অপেক্ষা করছি। আমি সবসময় ল্যাপটপ, ফোনের দিকেই নজর রাখি। এসব করেই করেই আমার জীবন চলছে। আমার আরও এক সন্তান আছে। তার কাছে এবং আমার স্বামীর কাছে পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি।”

তিনি আরো জানান “ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া সেনা অভিযান শুরু হওয়ার কয়েকদিন পর থেকেই পুরো বিষয়ের উপর নজর রাখতে শুরু করে জেমি। এবং তারপরেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করতে শুরু করে। সেই সংস্থার থেকেই ইউক্রেন যাওয়ার টিকিট জোগাড় করে সে। এবং তারপর রওনা দেয়।”

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

Call of Duty থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইউক্রেন রওনা ব্রিটিশ কিশোরের

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ‘কল অফ ডিউটি’ গেম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইউক্রেনের উদ্দেশে রওনা দিলো ব্রিটিশ কিশোর জেমি। জানা গেছে, চলতি মাসের ৬ তারিখ চাইল্ড পাসপোর্ট সহ রওনা দেয় জেমি।

জেমির মা জানান “জেমির কোনও মিলিটারি অভিজ্ঞতা নেই। সে সেনা ক্যাডেটে গিয়েছিল। কিন্তু তখন তার বয়স খুবই কম ছিল। সে কখনই রাইফেল বা এই ধরনের কোনও অস্ত্র ব্যবহার করেনি।”

উনি আরো জানিয়েছেন “রাশিয়া যে ধরনের সেনা অভিযান করেছে তাতে ক্ষুব্ধ জেমি। এবং ‘কল অফ ডিউটি’ তে তার ভালোবাসা রয়েছে। সেখান থেকেই যুদ্ধের যাবতীয় খুঁটিনাটি শিখেছে।”

জেমির পরিজনরা এখন খুবই চিন্তিত। কারণ ইউক্রেনের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জেমির শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেমির পরিজনরা।

এবিষয়ে জেমির মা বলেন “প্রত্যেকদিন আমরা অপেক্ষা করছি। আমি সবসময় ল্যাপটপ, ফোনের দিকেই নজর রাখি। এসব করেই করেই আমার জীবন চলছে। আমার আরও এক সন্তান আছে। তার কাছে এবং আমার স্বামীর কাছে পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি।”

তিনি আরো জানান “ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া সেনা অভিযান শুরু হওয়ার কয়েকদিন পর থেকেই পুরো বিষয়ের উপর নজর রাখতে শুরু করে জেমি। এবং তারপরেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করতে শুরু করে। সেই সংস্থার থেকেই ইউক্রেন যাওয়ার টিকিট জোগাড় করে সে। এবং তারপর রওনা দেয়।”