১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লরির সংঘাত

সেখ সামসুদ্দিন, ২৬ জুনঃ পূর্ব বর্ধমানের মেমারি শহর লাগোয়া দুর্গাডাঙ্গা মোড়ের কাছে মেমারি মন্তেশ্বর রোডে বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লরির সংঘাতে ১১ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় পরে তাদের অবস্থার গুরুত্ব বুঝে বর্ধমান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়াও অল্প আঘাতপ্রাপ্তদের মেমারি হাসপাতালে চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় ১১ জন আহতের তালিকায় রয়েছেন ৬ বছরের শিশু অন্বেষা কিস্কু, বাড়ি পান্ডুয়া, যার মাথায় আঘাত হয়। অনন্যা সোম (১৮) যাকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় বাড়ি মন্তেশ্বর, তার হাত ভয়ংকর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৌভিক ভূঁইয়া ২৪ বছর বয়স বাড়ি শেওরাফুলি, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত। শ্রীরামপুরের বাসিন্দা বিভা চ্যাটার্জী চল্লিশ বছর বয়স, মাথায় আঘাত, প্রসেনজিৎ হাট (৩৫) বাড়ি চন্দননগর, মাথায় ও চোখে আঘাত। অনিমেষ পাল (২১) গোবর্ধনপুর নিবাসী ডানহাতে আঘাত। শ্রীরামপুরের উত্তম চ্যাটার্জী ৫৫ বছর বয়স, বাম হাতের কনুইয়ে আঘাত। তপন চৌধুরী ৪৮ বছর, হরধরপুর বাড়ি ডান হাতে আঘাত। শেখ সিরাজুল আলম ৫৮ বছর, বাড়ি মির্জাপুর, বাম হাতে আঘাত, সুব্রত পাল পঞ্চাশ বছর বয়স, ভদ্রেশ্বর বাড়ি, হাতে আঘাত। মন্তেশ্বরের তাপস কুমার রায় ৫০ বছর বয়স, বাম হাতে আঘাত পান। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় বৃষ্টিভেজা রাস্তায় দুটো গতিতে থাকা বাস ও লরির মধ্যে সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে থাকায় ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুততার সঙ্গে পুলিশ পৌঁছায় এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লরির সংঘাত

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৪, রবিবার

সেখ সামসুদ্দিন, ২৬ জুনঃ পূর্ব বর্ধমানের মেমারি শহর লাগোয়া দুর্গাডাঙ্গা মোড়ের কাছে মেমারি মন্তেশ্বর রোডে বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লরির সংঘাতে ১১ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় পরে তাদের অবস্থার গুরুত্ব বুঝে বর্ধমান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়াও অল্প আঘাতপ্রাপ্তদের মেমারি হাসপাতালে চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় ১১ জন আহতের তালিকায় রয়েছেন ৬ বছরের শিশু অন্বেষা কিস্কু, বাড়ি পান্ডুয়া, যার মাথায় আঘাত হয়। অনন্যা সোম (১৮) যাকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় বাড়ি মন্তেশ্বর, তার হাত ভয়ংকর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৌভিক ভূঁইয়া ২৪ বছর বয়স বাড়ি শেওরাফুলি, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত। শ্রীরামপুরের বাসিন্দা বিভা চ্যাটার্জী চল্লিশ বছর বয়স, মাথায় আঘাত, প্রসেনজিৎ হাট (৩৫) বাড়ি চন্দননগর, মাথায় ও চোখে আঘাত। অনিমেষ পাল (২১) গোবর্ধনপুর নিবাসী ডানহাতে আঘাত। শ্রীরামপুরের উত্তম চ্যাটার্জী ৫৫ বছর বয়স, বাম হাতের কনুইয়ে আঘাত। তপন চৌধুরী ৪৮ বছর, হরধরপুর বাড়ি ডান হাতে আঘাত। শেখ সিরাজুল আলম ৫৮ বছর, বাড়ি মির্জাপুর, বাম হাতে আঘাত, সুব্রত পাল পঞ্চাশ বছর বয়স, ভদ্রেশ্বর বাড়ি, হাতে আঘাত। মন্তেশ্বরের তাপস কুমার রায় ৫০ বছর বয়স, বাম হাতে আঘাত পান। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় বৃষ্টিভেজা রাস্তায় দুটো গতিতে থাকা বাস ও লরির মধ্যে সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে থাকায় ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুততার সঙ্গে পুলিশ পৌঁছায় এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।