২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যুব সমাজকে রক্ত দানে উদ্বুদ্ধ করতে কালিয়াচকে রক্ত দান শিবির

মোঃ নাওয়াজ শরীফ, নতুন গতি, মালদা: রক্ত দান মহৎ দান, ঐ রক্তে বাঁচে অন্যের প্রাণ কিম্বা রক্ত দিতে মিথ্যে ভয়, রক্ত দিলে আবার হয়। সেই সমস্ত কথা যুব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরা হয় এক সচেতনতা সভায়।

করোনার আবহে জেলার ব্লাড ব্যাংক কে সচল রাখতে তথা বর্তমান প্রজন্মের যুব সমাজকে রক্ত দানের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে মালদা আনএইডেড প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে, মালদা আর্মি ব্লাড ও নতুন আলোর সহযোগিতায় কালিয়াচক টাউন লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত হয় রক্তদান শিবির। আজকের শিবিরে ৯০ জন রক্ত দাতা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন। এদিন আয়োজক ও রক্তদাতাদের উৎসাহ বাড়াতে শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত জেলাশাসক বিকাশ সাহা, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আতিউর রহমান, কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস, সিলামপুরের বিএমওএইচ মতিউর হক, সম্পাদক মোহা জিয়াউল হক, সভাপতি আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। এই শিবিরে মোট ৯০ জন রক্তদান করেন। এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত অতিথিরা।

মালদা আনএইডেড প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন এর সম্পাদক জিয়াউল হক একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান শিক্ষাক্ষেত্রে যে নব জাগরণ ঘটেছে তাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি উল্লেখযোগ্য দাবি রাখে। প্রতিষ্ঠানগুলি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অসাধারণ ছাত্র-ছাত্রীতে পরিণত করে চলেছে। আমরা অসহায়, দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কল্পিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সাহায্য করি। এর পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব জ্বালাকে কিছুটা হলেও কমাতে সক্ষম হয়েছি। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি মালদা জেলায় প্রায় এক শতাধিক আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে জেখানে প্রায় দশ হাজার লোক কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রায়ই ৬ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকার জন্য আজ এই বিপুল সংখ্যক লোক আর্থিকভাবে চরম হুমকির মধ্যে দিনযাপন করছে। তাছাড়া আমরা বিভিন্ন সামাজিক কাজে ও অংশগ্রহণ করে থাকি। উদাহরণস্বরূপ বন্যা, ভূমিকম্প, নদী ভাঙ্গন, করোনা ভাইরাসের দরুন লকডাউনে অসহায় মানুষদের পাশে সাহায্যের হাত অকাতরে আমরা বাড়িয়ে দিয়েছি। এছাড়াও আমরা লক্ষ্য করি লকডাউন এর দরুন হসপিটাল গুলিতে রক্তের অভাবে হাহাকার চলছে, তখন রক্ত দানের মতো মহৎ কাজের সিদ্ধান্ত নিই। যার ফলে আজকের এই রক্তদান শিবির। এই মহৎ কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেরে বেশ আনন্দ উপভোগ করছি।

অনুব্রতর নিচুপট্টির বাড়িতে নেই কোনো নিরাপত্তারক্ষি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যুব সমাজকে রক্ত দানে উদ্বুদ্ধ করতে কালিয়াচকে রক্ত দান শিবির

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২০, রবিবার

মোঃ নাওয়াজ শরীফ, নতুন গতি, মালদা: রক্ত দান মহৎ দান, ঐ রক্তে বাঁচে অন্যের প্রাণ কিম্বা রক্ত দিতে মিথ্যে ভয়, রক্ত দিলে আবার হয়। সেই সমস্ত কথা যুব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরা হয় এক সচেতনতা সভায়।

করোনার আবহে জেলার ব্লাড ব্যাংক কে সচল রাখতে তথা বর্তমান প্রজন্মের যুব সমাজকে রক্ত দানের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে মালদা আনএইডেড প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে, মালদা আর্মি ব্লাড ও নতুন আলোর সহযোগিতায় কালিয়াচক টাউন লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত হয় রক্তদান শিবির। আজকের শিবিরে ৯০ জন রক্ত দাতা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন। এদিন আয়োজক ও রক্তদাতাদের উৎসাহ বাড়াতে শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত জেলাশাসক বিকাশ সাহা, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আতিউর রহমান, কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস, সিলামপুরের বিএমওএইচ মতিউর হক, সম্পাদক মোহা জিয়াউল হক, সভাপতি আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। এই শিবিরে মোট ৯০ জন রক্তদান করেন। এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত অতিথিরা।

মালদা আনএইডেড প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন এর সম্পাদক জিয়াউল হক একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান শিক্ষাক্ষেত্রে যে নব জাগরণ ঘটেছে তাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি উল্লেখযোগ্য দাবি রাখে। প্রতিষ্ঠানগুলি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অসাধারণ ছাত্র-ছাত্রীতে পরিণত করে চলেছে। আমরা অসহায়, দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কল্পিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সাহায্য করি। এর পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব জ্বালাকে কিছুটা হলেও কমাতে সক্ষম হয়েছি। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি মালদা জেলায় প্রায় এক শতাধিক আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে জেখানে প্রায় দশ হাজার লোক কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রায়ই ৬ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকার জন্য আজ এই বিপুল সংখ্যক লোক আর্থিকভাবে চরম হুমকির মধ্যে দিনযাপন করছে। তাছাড়া আমরা বিভিন্ন সামাজিক কাজে ও অংশগ্রহণ করে থাকি। উদাহরণস্বরূপ বন্যা, ভূমিকম্প, নদী ভাঙ্গন, করোনা ভাইরাসের দরুন লকডাউনে অসহায় মানুষদের পাশে সাহায্যের হাত অকাতরে আমরা বাড়িয়ে দিয়েছি। এছাড়াও আমরা লক্ষ্য করি লকডাউন এর দরুন হসপিটাল গুলিতে রক্তের অভাবে হাহাকার চলছে, তখন রক্ত দানের মতো মহৎ কাজের সিদ্ধান্ত নিই। যার ফলে আজকের এই রক্তদান শিবির। এই মহৎ কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেরে বেশ আনন্দ উপভোগ করছি।