২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

পরিবেশ গবেষনা সংস্থা টিয়ার পরিকল্পনা ও পরামর্শে শুরু হলো বায়োফ্লোক মৎস চাষ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম : পরিবেশ গবেষনা সংস্থা ট্রপিক‍্যাল ইনস্টিটিউট অফ আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (টিয়ার) পরিকল্পনা ও পরামর্শে জীবিকার স্বনির্ভরতা ও স্থায়ী অর্থনৈতিক ব‍্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক বিজ্ঞান ভিত্তিক পরিকল্পনা ও প্রকল্প সূচনা করতে চলেছে,তা হল বায়োফ্লোক মৎস্য চাষ। মূলতঃ বাড়ির উঠানে অথবা ছাদে দশ বর্গফুট জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পটি গড়ে তোলা যায়।যেকোনো ব্যক্তি বাড়িতে থেকে এই ধরনের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।আবার অবসরকালীন সময় কাটানোর জন্য এই ধরনের প্রকল্প আদর্শ।আজ ঝাড়গ্রাম শহরের বাছুরডোবা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সূপ্রকাশ দাসের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং ‘টিয়ার”-এর ব্যবস্থাপনায় বাড়ির উঠানে ও ছাদে ২টি বায়োফ্লোক মৎস্য চাষের কেন্দ্র গড়ে তোলা হলো।প্রায় আড়াই হাজার কই মাছ প্রতি ট্যাংকে প্রতিপালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।চার মাস বাদে প্রায় দুই কুইন্ট‍্যাল প্রতি ট্যাঙ্ক থেকে মাছ সংগ্রহ করা যাবে আশা করা যায়।এক একটি ফার্মের প্রাথমিক খরচ প্রায় ৪০০০০ টাকা।বছরে তিনবার মাছ সংগ্রহ করা যাবে।টিয়ার কর্মকর্তাদের বক্তব্য হলো এই প্রকল্পের দেশি কই, মাগুর, সিঙ্গী,তেলাপিয়া,সরপুঁটি,ভেটকি, গুলশা টেংরা,পাবদার মতো মাছ চাষ করা যাবে। সংস্থার পক্ষ থেকে পরামর্শদাতা ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিয়ার সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ প্রণব সাহু অধ্যাপক সুপ্রকাশ দাস এবং শরৎ চ্যাটার্জী।অধ্যাপক ডঃ সাহু বলেন-ন্যুনতম ব্যয়ে় অধিক লাভজনক একটি প্রকল্প এবং এই প্রকল্প সারা বছর ধরে স্থায়ী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে যুক্ত হতে পারবে।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পরিবেশ গবেষনা সংস্থা টিয়ার পরিকল্পনা ও পরামর্শে শুরু হলো বায়োফ্লোক মৎস চাষ

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম : পরিবেশ গবেষনা সংস্থা ট্রপিক‍্যাল ইনস্টিটিউট অফ আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (টিয়ার) পরিকল্পনা ও পরামর্শে জীবিকার স্বনির্ভরতা ও স্থায়ী অর্থনৈতিক ব‍্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক বিজ্ঞান ভিত্তিক পরিকল্পনা ও প্রকল্প সূচনা করতে চলেছে,তা হল বায়োফ্লোক মৎস্য চাষ। মূলতঃ বাড়ির উঠানে অথবা ছাদে দশ বর্গফুট জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পটি গড়ে তোলা যায়।যেকোনো ব্যক্তি বাড়িতে থেকে এই ধরনের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।আবার অবসরকালীন সময় কাটানোর জন্য এই ধরনের প্রকল্প আদর্শ।আজ ঝাড়গ্রাম শহরের বাছুরডোবা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সূপ্রকাশ দাসের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং ‘টিয়ার”-এর ব্যবস্থাপনায় বাড়ির উঠানে ও ছাদে ২টি বায়োফ্লোক মৎস্য চাষের কেন্দ্র গড়ে তোলা হলো।প্রায় আড়াই হাজার কই মাছ প্রতি ট্যাংকে প্রতিপালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।চার মাস বাদে প্রায় দুই কুইন্ট‍্যাল প্রতি ট্যাঙ্ক থেকে মাছ সংগ্রহ করা যাবে আশা করা যায়।এক একটি ফার্মের প্রাথমিক খরচ প্রায় ৪০০০০ টাকা।বছরে তিনবার মাছ সংগ্রহ করা যাবে।টিয়ার কর্মকর্তাদের বক্তব্য হলো এই প্রকল্পের দেশি কই, মাগুর, সিঙ্গী,তেলাপিয়া,সরপুঁটি,ভেটকি, গুলশা টেংরা,পাবদার মতো মাছ চাষ করা যাবে। সংস্থার পক্ষ থেকে পরামর্শদাতা ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিয়ার সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ প্রণব সাহু অধ্যাপক সুপ্রকাশ দাস এবং শরৎ চ্যাটার্জী।অধ্যাপক ডঃ সাহু বলেন-ন্যুনতম ব্যয়ে় অধিক লাভজনক একটি প্রকল্প এবং এই প্রকল্প সারা বছর ধরে স্থায়ী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে যুক্ত হতে পারবে।