৩০ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
৩০ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

দিন দুপুরে তৃণমূল নেতা তথা স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন

সামসুর রহমান, মগরাহাট : দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার মগরাহাট থানার অন্তর্গত আমড়াতলা মাগুরপুকুর এলাকায় অবস্থিত এক কোম্পানি, যা জানে আলম মোল্লা নামের এক ব্যক্তির বলে জানা গেছে। ঐ কোম্পানির মধ্যে আজ সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ দুজন ব্যাক্তির নীথর দেহকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে জানা যায় ঐ মৃত ব্যাক্তিদ্বয়ের মধ্যে একজন বরুণ চক্রবর্তী নামের স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও অন্যজন মলয় মাখাল নামে স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী।

ঘটনার চাঞ্চল্য ছড়ালে খবর পাওয়া মাত্রই ডায়মন্ডহারবার পুলিশ ডিস্ট্রিক্ট SP অভিজিত বাবু ASP, SDPO, CI ও একাধিক থানার OC সহ প্রচুর পরিমাণে পুলিশ উপস্থিত হন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঐ যুবকদের সহিত জানে আলমের ইমারতী দ্রব্যাদি বাবদ লেনদেন নিয়ে বিবাদ ও পরে খুন করা হয়। বর্তমানে জানে আলম ফেরার, তাকে খুঁজে পেতে হন্যে হয়ে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে এই জানে আলম তার কোম্পানিতে হাড়ের ব্যবসা করতো। ফলে এলাকায় প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়ায় যা নিয়ে এলাকা বাসির দীর্ঘদিনের আন্দোলন ছিল। এই অভিযোগ নিয়ে ঐ স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানায়, যার ফলে জানে আলমের সহিত বিরোধ তৈরী হয়। সেই বিষয় ও মলয়ের টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজ ডেকে পাঠালে তারা ওখানে উপস্থিত হয় । পরে তাদের আর্তনাদে এলাকা বাসি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও নৃশংসভাবে হত্যার ফলে তাদের নীথর মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে। শুধু তাই নয়, এলাকার মানুষ জানায় বরুণ চক্রবর্তী আমাদের নেতা, জব কার্ডের সমস্ত কাজ ঐ করায়, ঐ আমাদের অন্যের ভরসা। তাছাড়া এই রকম দিনের বেলায় নৃশংসভাবে খুন নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছে এবং আমরা জানে আলমের ফাঁসি চাই।

রাজনগরে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা দেহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিন দুপুরে তৃণমূল নেতা তথা স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন

আপডেট : ৯ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

সামসুর রহমান, মগরাহাট : দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার মগরাহাট থানার অন্তর্গত আমড়াতলা মাগুরপুকুর এলাকায় অবস্থিত এক কোম্পানি, যা জানে আলম মোল্লা নামের এক ব্যক্তির বলে জানা গেছে। ঐ কোম্পানির মধ্যে আজ সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ দুজন ব্যাক্তির নীথর দেহকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে জানা যায় ঐ মৃত ব্যাক্তিদ্বয়ের মধ্যে একজন বরুণ চক্রবর্তী নামের স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও অন্যজন মলয় মাখাল নামে স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী।

ঘটনার চাঞ্চল্য ছড়ালে খবর পাওয়া মাত্রই ডায়মন্ডহারবার পুলিশ ডিস্ট্রিক্ট SP অভিজিত বাবু ASP, SDPO, CI ও একাধিক থানার OC সহ প্রচুর পরিমাণে পুলিশ উপস্থিত হন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঐ যুবকদের সহিত জানে আলমের ইমারতী দ্রব্যাদি বাবদ লেনদেন নিয়ে বিবাদ ও পরে খুন করা হয়। বর্তমানে জানে আলম ফেরার, তাকে খুঁজে পেতে হন্যে হয়ে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে এই জানে আলম তার কোম্পানিতে হাড়ের ব্যবসা করতো। ফলে এলাকায় প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়ায় যা নিয়ে এলাকা বাসির দীর্ঘদিনের আন্দোলন ছিল। এই অভিযোগ নিয়ে ঐ স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানায়, যার ফলে জানে আলমের সহিত বিরোধ তৈরী হয়। সেই বিষয় ও মলয়ের টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজ ডেকে পাঠালে তারা ওখানে উপস্থিত হয় । পরে তাদের আর্তনাদে এলাকা বাসি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও নৃশংসভাবে হত্যার ফলে তাদের নীথর মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে। শুধু তাই নয়, এলাকার মানুষ জানায় বরুণ চক্রবর্তী আমাদের নেতা, জব কার্ডের সমস্ত কাজ ঐ করায়, ঐ আমাদের অন্যের ভরসা। তাছাড়া এই রকম দিনের বেলায় নৃশংসভাবে খুন নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছে এবং আমরা জানে আলমের ফাঁসি চাই।