১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

দীর্ঘদিন পাকিস্তানে বন্দিদশা কাটানোর পর মুক্তি পেল বিহারের বাসিন্দা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন পাকিস্তানে বন্দিদশা কাটানোর পর মুক্তি পেল বিহারের বাসিন্দা ছবি মুসহর। 12 বছর পাকিস্তানে বন্দিদশায় ছিল সে। অবশেষে তাকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। অমৃতসরে সীমান্তবর্তী এলাকায় আন্তর্জাতিক রেডক্রস সংস্থার কাছে তাকে তুলে দেওয়া হয়। তারপর সব রকম সরকারি কাজকর্ম করার পর অবশেষে বিহারে নিজের বাড়ি ফেরে ছবি।

এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে 2009 সালে নিজের স্ত্রী ও সন্তানের সাথে দেখা করবার জন্য ট্রেনে উঠে ছিল সে। কোন ভাবে ভুলবশত পাকিস্তানে চলে যায় ছবি। এরপর দিক বিভ্রাট করে পাকিস্তানে প্রবেশ করে। তবে প্রথমে সে পাকিস্তানের পুলিশের কাছে ধরা পড়েনি। বেশ কিছুদিন সেখানে কৃষি কাজ করে। এরপর পাকিস্তানি পুলিশের কাছে ধরা পড়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে।

তার পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয় কিন্তু পাওয়া যায় তাকে। এর মধ্যে তার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায় । ইতিমধ্যে তার স্ত্রী আবার পুনরায় বিবাহ করে। তার পরিবারের লোকজন তার ফেরার আশা ছেড়ে দিয়েছিল। ইতিমধ্যে ছবির পরলৌকিক কিয়া কার্যকর করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছিল। তবে ছবির মা আশাবাদী ছিলেন তার ছেলে ফিরে আসবে।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ছবির হদিস পায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারা যায় সে পাকিস্তানে জেলে বন্দী অবস্থায় রয়েছে। তারপর ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে তাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা শুরু হয়। প্রতিবছর পাকিস্তানের পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিনা দোষে আটক বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়। এই বছর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে যে সমস্ত বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে তারমধ্যে ছবি রয়েছে। ছবির মা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল ঈশ্বর ঠিক তার ছেলেকে তার কাছে ফিরিয়ে দেবেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দীর্ঘদিন পাকিস্তানে বন্দিদশা কাটানোর পর মুক্তি পেল বিহারের বাসিন্দা

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন পাকিস্তানে বন্দিদশা কাটানোর পর মুক্তি পেল বিহারের বাসিন্দা ছবি মুসহর। 12 বছর পাকিস্তানে বন্দিদশায় ছিল সে। অবশেষে তাকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। অমৃতসরে সীমান্তবর্তী এলাকায় আন্তর্জাতিক রেডক্রস সংস্থার কাছে তাকে তুলে দেওয়া হয়। তারপর সব রকম সরকারি কাজকর্ম করার পর অবশেষে বিহারে নিজের বাড়ি ফেরে ছবি।

এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে 2009 সালে নিজের স্ত্রী ও সন্তানের সাথে দেখা করবার জন্য ট্রেনে উঠে ছিল সে। কোন ভাবে ভুলবশত পাকিস্তানে চলে যায় ছবি। এরপর দিক বিভ্রাট করে পাকিস্তানে প্রবেশ করে। তবে প্রথমে সে পাকিস্তানের পুলিশের কাছে ধরা পড়েনি। বেশ কিছুদিন সেখানে কৃষি কাজ করে। এরপর পাকিস্তানি পুলিশের কাছে ধরা পড়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে।

তার পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয় কিন্তু পাওয়া যায় তাকে। এর মধ্যে তার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায় । ইতিমধ্যে তার স্ত্রী আবার পুনরায় বিবাহ করে। তার পরিবারের লোকজন তার ফেরার আশা ছেড়ে দিয়েছিল। ইতিমধ্যে ছবির পরলৌকিক কিয়া কার্যকর করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছিল। তবে ছবির মা আশাবাদী ছিলেন তার ছেলে ফিরে আসবে।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ছবির হদিস পায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারা যায় সে পাকিস্তানে জেলে বন্দী অবস্থায় রয়েছে। তারপর ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে তাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা শুরু হয়। প্রতিবছর পাকিস্তানের পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিনা দোষে আটক বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়। এই বছর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে যে সমস্ত বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে তারমধ্যে ছবি রয়েছে। ছবির মা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল ঈশ্বর ঠিক তার ছেলেকে তার কাছে ফিরিয়ে দেবেন।