১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

পান্ডবেশ্বরের আলীনগরে বিজয়া সম্মিলনী

স্টাফ রিপোর্টার : পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল লোকসভার জামুড়িয়া বিধানসভার খনি-শিল্পাঞ্চলের পান্ডবেশ্বর থানার প্রাচীন গ্রাম আলীনগরে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান হয়। আলীনগরে দূর্গার মন্দিরের সন্নিকটে অনুষ্ঠিত হয় সম্মিলনীর অনুষ্ঠান। আলীনগর আমরা ক’জন সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এলাকার বহু মানুষ যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত বাউল শিল্পী অনিতা দাস ও তাঁর সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান। একের পর এক গানে দর্শকদের মন জয় করে নিলেন তাঁরা । শিল্পী অনিতা দাস ও তাঁর সম্প্রদায় দর্শকদের কাছ থেকেও পেলেন অকুন্ঠ সহযোগিতা। এবং দর্শকদেরও মন ভরিয়ে দিলেন তিনি।
বীরভূম লাগোয়া অজয় নদের তীরবর্তী পশ্চিম বর্ধমান জেলার গ্রাম গুলিতে এমনিতেই বাউল গানের কদর আছে। উত্তরে অদূরে অজয় পেরোলেই জয়দেব কেঁদুলি। আউল বাউলের আখড়া। পশ্চিমে একটু গেলেই কবিতীর্থ চুরুলিয়া। বিদ্রোহী কবির তীর্থভূমি। এলাকার মানুষের লোকসংগীতে এত উৎসাহ কেন তা নিশ্চয় আর বলার দরকার নেই। এখানকার মানুষ এখনো গ্রাম্য বিনোদন হিসাবে বাউল গানকেই প্রথম পছন্দ করেন। কলকাতার যাত্রাপালারও বহু ভক্ত আছেন। তবে সেসব আয়োজন অনেক টাকার ব্যাপার। আশপাশের এলাকা গুলিতে যাত্রা পালা হলে তাই ভিড়ের অভাব হয় না। কাশফুলের বিস্তীর্ণ ভূমিতে বাউলের সুরে মন ভেসে যায় কালো মাটির দেশে। তুমি আর একবার আসিয়া / যাও মোরে দেখিয়া / আমি নয়নভরে একবার দেখতে চাই।
শিক্ষক বাবলু মণ্ডল জানালেন, আমরা ক’জন আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষ যোগদান করেন। বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ আসেন। জানা গেল, উৎসবের পরে আরও একটা উৎসব হয়ে ওঠে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পান্ডবেশ্বরের আলীনগরে বিজয়া সম্মিলনী

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২২, শনিবার

স্টাফ রিপোর্টার : পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল লোকসভার জামুড়িয়া বিধানসভার খনি-শিল্পাঞ্চলের পান্ডবেশ্বর থানার প্রাচীন গ্রাম আলীনগরে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান হয়। আলীনগরে দূর্গার মন্দিরের সন্নিকটে অনুষ্ঠিত হয় সম্মিলনীর অনুষ্ঠান। আলীনগর আমরা ক’জন সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এলাকার বহু মানুষ যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত বাউল শিল্পী অনিতা দাস ও তাঁর সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান। একের পর এক গানে দর্শকদের মন জয় করে নিলেন তাঁরা । শিল্পী অনিতা দাস ও তাঁর সম্প্রদায় দর্শকদের কাছ থেকেও পেলেন অকুন্ঠ সহযোগিতা। এবং দর্শকদেরও মন ভরিয়ে দিলেন তিনি।
বীরভূম লাগোয়া অজয় নদের তীরবর্তী পশ্চিম বর্ধমান জেলার গ্রাম গুলিতে এমনিতেই বাউল গানের কদর আছে। উত্তরে অদূরে অজয় পেরোলেই জয়দেব কেঁদুলি। আউল বাউলের আখড়া। পশ্চিমে একটু গেলেই কবিতীর্থ চুরুলিয়া। বিদ্রোহী কবির তীর্থভূমি। এলাকার মানুষের লোকসংগীতে এত উৎসাহ কেন তা নিশ্চয় আর বলার দরকার নেই। এখানকার মানুষ এখনো গ্রাম্য বিনোদন হিসাবে বাউল গানকেই প্রথম পছন্দ করেন। কলকাতার যাত্রাপালারও বহু ভক্ত আছেন। তবে সেসব আয়োজন অনেক টাকার ব্যাপার। আশপাশের এলাকা গুলিতে যাত্রা পালা হলে তাই ভিড়ের অভাব হয় না। কাশফুলের বিস্তীর্ণ ভূমিতে বাউলের সুরে মন ভেসে যায় কালো মাটির দেশে। তুমি আর একবার আসিয়া / যাও মোরে দেখিয়া / আমি নয়নভরে একবার দেখতে চাই।
শিক্ষক বাবলু মণ্ডল জানালেন, আমরা ক’জন আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষ যোগদান করেন। বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ আসেন। জানা গেল, উৎসবের পরে আরও একটা উৎসব হয়ে ওঠে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান।