৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাত সকালে হাতির আক্রমণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু বাঁকুড়ায়!

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাত সকালে হাতির (elephant) আক্রমণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু (death)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় বাঁকুড়ার (Bankura) সোনামুখী ব্লকের কোচডিহি গ্রামে। জানা যায়, মৃত বৃদ্ধের নাম লালমোহন কুন্ডু। বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মতোই এদিনও তিনি প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। তখনই হঠাৎ হাতির সামনে চলে আসেন তিনি। হাতিটি তাঁকে সুরে পেচিয়ে মাটিতে আছাড় মারলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন ওই বৃদ্ধ। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে অবস্থার আরও বেশি অবনতি হলে তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে এদিন হাসপাতালে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। ঘটনা পুনরায় যাতে না ঘটে সে কারণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে পুলিল বাহিনী। অন্যদিকে সাধারণ মানুষরা ঘটনার পরই আতঙ্কে রয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানান, “সারা বছরই আমরা আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করি। বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। বনদফতরকে আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন রয়েছে।” তবে এবিষয়ে সোনামুখী রেঞ্জ অফিসার রানা গুহ আমাদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে জানান, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

ঈদের দিন যাদবপুরে ‘সাভারকর জয়ন্তী’ পালন করতে চলেছে এবিভিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সাত সকালে হাতির আক্রমণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু বাঁকুড়ায়!

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাত সকালে হাতির (elephant) আক্রমণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু (death)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় বাঁকুড়ার (Bankura) সোনামুখী ব্লকের কোচডিহি গ্রামে। জানা যায়, মৃত বৃদ্ধের নাম লালমোহন কুন্ডু। বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মতোই এদিনও তিনি প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। তখনই হঠাৎ হাতির সামনে চলে আসেন তিনি। হাতিটি তাঁকে সুরে পেচিয়ে মাটিতে আছাড় মারলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন ওই বৃদ্ধ। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে অবস্থার আরও বেশি অবনতি হলে তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে এদিন হাসপাতালে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। ঘটনা পুনরায় যাতে না ঘটে সে কারণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে পুলিল বাহিনী। অন্যদিকে সাধারণ মানুষরা ঘটনার পরই আতঙ্কে রয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানান, “সারা বছরই আমরা আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করি। বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। বনদফতরকে আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন রয়েছে।” তবে এবিষয়ে সোনামুখী রেঞ্জ অফিসার রানা গুহ আমাদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে জানান, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।