১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

কবি নজরুলের স্মৃতিধন্য নিমশায় শ্রদ্ধা স্মরণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল লোকসভার জামুড়িয়া বিধানসভার খনি-শিল্পাঞ্চলের প্রাচীন গ্রাম নিমশায় কবি নজরুল সংঘের পক্ষ থেকে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। শতাব্দী প্রাচীন নিমশা হাটতলায় নজরুল মূর্তিতে মাল্যদান করেন সংঘের সভাপতি সেখ ফজলে করিম, সংঘের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী ও সংঘের অন্যান্য পদাধিকারী এবং নিমশার বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ । আলোচনা সভা ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলা সাহিত্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিপ্লবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য কৃতিতে বিদ্রোহের ধ্বজা তুলে ধরার পূর্বে চারণকবি হিসাবে তাঁর জয় যাত্রা শুরু করেছিলেন। নিমশা ছিল তাঁর প্রিয় কর্মভূমি। নিমশার মানুষ সেই স্মৃতিকথা বহন করে চলেছেন পরম্পরাগত ভাবে। কবি নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিনটি তাঁদের কাছে দুঃখের দিন। নিমশার মানুষ জানালেন, কবি নজরুল ইসলাম এখানে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেছিলেন। এখানে কবির সম্পর্কে মানুষের একটা আলাদা আবেগ আছে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দেশের জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমানের সরকার প্রিয় কবিকে বাংলাদেশে নিয়ে যায়। দেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করে বিদ্রোহী কবিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্থান দেওয়া হয়। একবছরের বেশি সময বাংলাদেশের পিজি হসপিটালে ভর্তি থাকার পর বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজকের দিনে (২৯ আগস্ট ,১৯৭৬) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই দিনটিতে নিমশার মানুষ আজও আত্মীয় বিয়োগের ব্যাথা অনুভব করেন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কবি নজরুলের স্মৃতিধন্য নিমশায় শ্রদ্ধা স্মরণ

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২২, সোমবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল লোকসভার জামুড়িয়া বিধানসভার খনি-শিল্পাঞ্চলের প্রাচীন গ্রাম নিমশায় কবি নজরুল সংঘের পক্ষ থেকে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। শতাব্দী প্রাচীন নিমশা হাটতলায় নজরুল মূর্তিতে মাল্যদান করেন সংঘের সভাপতি সেখ ফজলে করিম, সংঘের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী ও সংঘের অন্যান্য পদাধিকারী এবং নিমশার বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ । আলোচনা সভা ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলা সাহিত্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিপ্লবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য কৃতিতে বিদ্রোহের ধ্বজা তুলে ধরার পূর্বে চারণকবি হিসাবে তাঁর জয় যাত্রা শুরু করেছিলেন। নিমশা ছিল তাঁর প্রিয় কর্মভূমি। নিমশার মানুষ সেই স্মৃতিকথা বহন করে চলেছেন পরম্পরাগত ভাবে। কবি নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিনটি তাঁদের কাছে দুঃখের দিন। নিমশার মানুষ জানালেন, কবি নজরুল ইসলাম এখানে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেছিলেন। এখানে কবির সম্পর্কে মানুষের একটা আলাদা আবেগ আছে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দেশের জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমানের সরকার প্রিয় কবিকে বাংলাদেশে নিয়ে যায়। দেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করে বিদ্রোহী কবিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্থান দেওয়া হয়। একবছরের বেশি সময বাংলাদেশের পিজি হসপিটালে ভর্তি থাকার পর বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজকের দিনে (২৯ আগস্ট ,১৯৭৬) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই দিনটিতে নিমশার মানুষ আজও আত্মীয় বিয়োগের ব্যাথা অনুভব করেন।