১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে দেশে ফিরলেন বাবা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: মাই ফাদার ইজ হিরো

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ইউক্রেন থেকে প্রচুর সাধারণ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইতিমধ্যেই শরণার্থীর সংখ্যা হয়ে গেছে কুড়ি লাখের কাছাকাছি।

এরকম পরিস্থিতিতে নিজের মেয়েকে ইউক্রেন থেকে উদ্ধার করে আনলেন এক বাবা। আমেরিকার বাসিন্দা হাবার্ট , নিজের মেয়েকে বাঁচাতে পোল্যান্ড সীমান্ত পেরিয়ে ইউক্রেনের প্রবেশ করে কোনরকমে নিজের মেয়েকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনলেন।

২০১৮ সালে তার মেয়ে ইউক্রেনের একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে গিয়েছিল। তার মাঝে অনেকটা দিন অতিক্রান্ত, ইতিমধ্যে আসলিন এক সন্তানের জন্ম দেয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে বাড়িতে সে সন্তান প্রসব করে। এর মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ লেগে যায়। এত ছোট বাচ্চাকে নিয়ে ইউক্রেন ছাড়া অসম্ভব, বিচলিত হয়ে পড়ে সে। তীব্র গোলাবর্ষণের মধ্যে নিজের এক রত্তি শিশুকে নিয়ে কোন রকমে লুকিয়ে ছিল সে। এছাড়া বাড়িতে জন্ম হবার কারণে তার শিশুর জন্মের শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাই আর বিলম্ব না করে মৃত্যু ভয় দূরে সরিয়ে ইউক্রেনে পদার্পণ করে নিজের মেয়ে এবং নাতিকে উদ্ধার করে হাবার্ড।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে দেশে ফিরলেন বাবা

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২২, সোমবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: মাই ফাদার ইজ হিরো

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ইউক্রেন থেকে প্রচুর সাধারণ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইতিমধ্যেই শরণার্থীর সংখ্যা হয়ে গেছে কুড়ি লাখের কাছাকাছি।

এরকম পরিস্থিতিতে নিজের মেয়েকে ইউক্রেন থেকে উদ্ধার করে আনলেন এক বাবা। আমেরিকার বাসিন্দা হাবার্ট , নিজের মেয়েকে বাঁচাতে পোল্যান্ড সীমান্ত পেরিয়ে ইউক্রেনের প্রবেশ করে কোনরকমে নিজের মেয়েকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনলেন।

২০১৮ সালে তার মেয়ে ইউক্রেনের একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে গিয়েছিল। তার মাঝে অনেকটা দিন অতিক্রান্ত, ইতিমধ্যে আসলিন এক সন্তানের জন্ম দেয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে বাড়িতে সে সন্তান প্রসব করে। এর মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ লেগে যায়। এত ছোট বাচ্চাকে নিয়ে ইউক্রেন ছাড়া অসম্ভব, বিচলিত হয়ে পড়ে সে। তীব্র গোলাবর্ষণের মধ্যে নিজের এক রত্তি শিশুকে নিয়ে কোন রকমে লুকিয়ে ছিল সে। এছাড়া বাড়িতে জন্ম হবার কারণে তার শিশুর জন্মের শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাই আর বিলম্ব না করে মৃত্যু ভয় দূরে সরিয়ে ইউক্রেনে পদার্পণ করে নিজের মেয়ে এবং নাতিকে উদ্ধার করে হাবার্ড।