২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পৌরসভা ভোটের মুখে ফরওয়ার্ড ব্লকে ভাঙন, তৃনমূলে যোগদান রামপুরহাটে

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:- বামফ্রন্টের শরীক ফরোয়ার্ড ব্লকের জেলা স্তরের বেশ কয়েকজন পদাধিকারী নেতা সহ শতাধিক দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তৃনমূল কংগ্রেসের পতাকা তোলে সমবেত হলেন।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ এবং বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের প্রতি আস্থা রেখে রবিবার বীরভূমের রামপুরহাট তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে স্থানীয় বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পীকার ডঃ আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তৃনমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ধরে সারা ভারত ফরোয়ার্ড ব্লক দল ছাড়লেন জেলা স্তরের একঝাঁক নেতৃত্ব।সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে দল ত্যাগকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ট্রেড ইউনিয়ন জেলা সম্পাদক স্বপন সরদার,ফরোয়াড ব্লক জেলা কমিটির সদস্য শম্ভু সিং , যুবলীগের জেলা সম্পাদক হিমেল ইব্রাহিম, যুবলীগের জেলা সভাপতি মহঃ সিরাজ, কৃষক সংগঠনের সভাপতি ইবনে রসুল, রামপুরহাট শহর ১৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি বরুণ লালা সহ শতাধিক ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন বামফ্রন্ট ছেড়ে আসা নেতা কর্মীদের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করাতে উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট বিধান সভার বিধায়ক তথা বিধান সভার ডেপুটি স্পিকার ডঃ আশীষ বন্দোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সির জেলা সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য, রামপুরহাট শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌমেন ভগত সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

সদ্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানকারী নেতা কর্মীরা বলেন ফরওয়ার্ড ব্লক তথা বামফ্রন্ট বিগত দিনে যা করতে পরেনি, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে সব করে দেখিয়ে দিয়েছেন, মানুষের জন্য কি ভাবে কাজ করতে হয় তা মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে অন্যান্য দলগুলিকে। আমরাও রাজ্য তথা জেলার উন্নয়ন কর্মযোগ্যে সামিল হওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মল্ডল, বিধায়ক আশিষ বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রতি অনুপ্রানিত হয়ে তৃনমূল কংগ্রেসে যোগদান করলাম। অন্যদিকে বিধায়ক আশীষ বন্দোপাধ্যায় বলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযোগ্য দেখে বহু মানুষ দলে এসেছেন, আসছেন এবং আগামীতে ও আসবেন, এর আগে কোনদিনই বাংলার এতো উন্নয়ন হয়নি।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পৌরসভা ভোটের মুখে ফরওয়ার্ড ব্লকে ভাঙন, তৃনমূলে যোগদান রামপুরহাটে

আপডেট : ১৬ জানুয়ারী ২০২২, রবিবার

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:- বামফ্রন্টের শরীক ফরোয়ার্ড ব্লকের জেলা স্তরের বেশ কয়েকজন পদাধিকারী নেতা সহ শতাধিক দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তৃনমূল কংগ্রেসের পতাকা তোলে সমবেত হলেন।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ এবং বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের প্রতি আস্থা রেখে রবিবার বীরভূমের রামপুরহাট তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে স্থানীয় বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পীকার ডঃ আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তৃনমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ধরে সারা ভারত ফরোয়ার্ড ব্লক দল ছাড়লেন জেলা স্তরের একঝাঁক নেতৃত্ব।সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে দল ত্যাগকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ট্রেড ইউনিয়ন জেলা সম্পাদক স্বপন সরদার,ফরোয়াড ব্লক জেলা কমিটির সদস্য শম্ভু সিং , যুবলীগের জেলা সম্পাদক হিমেল ইব্রাহিম, যুবলীগের জেলা সভাপতি মহঃ সিরাজ, কৃষক সংগঠনের সভাপতি ইবনে রসুল, রামপুরহাট শহর ১৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি বরুণ লালা সহ শতাধিক ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন বামফ্রন্ট ছেড়ে আসা নেতা কর্মীদের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করাতে উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট বিধান সভার বিধায়ক তথা বিধান সভার ডেপুটি স্পিকার ডঃ আশীষ বন্দোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সির জেলা সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য, রামপুরহাট শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌমেন ভগত সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

সদ্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানকারী নেতা কর্মীরা বলেন ফরওয়ার্ড ব্লক তথা বামফ্রন্ট বিগত দিনে যা করতে পরেনি, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে সব করে দেখিয়ে দিয়েছেন, মানুষের জন্য কি ভাবে কাজ করতে হয় তা মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে অন্যান্য দলগুলিকে। আমরাও রাজ্য তথা জেলার উন্নয়ন কর্মযোগ্যে সামিল হওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মল্ডল, বিধায়ক আশিষ বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রতি অনুপ্রানিত হয়ে তৃনমূল কংগ্রেসে যোগদান করলাম। অন্যদিকে বিধায়ক আশীষ বন্দোপাধ্যায় বলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযোগ্য দেখে বহু মানুষ দলে এসেছেন, আসছেন এবং আগামীতে ও আসবেন, এর আগে কোনদিনই বাংলার এতো উন্নয়ন হয়নি।